মহেশখালীতে বিচার চাইতে গিয়ে তরুণী ধর্ষণ, ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালী

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০

নিজস্ব সংবাদদাতা,মহেশখালীঃ
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের চাকরিজীবী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ৯ জুলাই মেম্বার জাকের এর বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন ধর্ষিতা। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী চট্টগ্রামে চাকরি করেন। জানা যায়,মাতারবাড়ী ইউনিয়নের তিতা মাঝি পাড়া গ্রামের আব্দুল গফুরের যুবতী কন্যা রহিমার(ছদ্ধ নাম) সাথে একই এলাকার জনৈক মেহেদীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ওই তরুণীর। ওই ছেলের সাথে প্রায় সময় দেখা করত রহিমা। সম্প্রতি মেহেদীর বিয়ে হলে রহিমার পরিবার রহিমাকে বিয়ে দিতে চাইলে কথিত মেহেদী বার বার রহিমার বিয়ে ভেঙ্গে দেয়। একারণে রহিমার পরিবার স্থানিয় ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাকের হোসেনকে মেহেদীর বিরুদ্ধে মৌখিক বিচার দেয়। তারই সূত্র ধরে গত ৯ জুলাই সকাল ১০ টায় জনৈক আজগর সওদাগর রহিমার বাড়ী গিয়ে উক্ত বিচারের কথা আছে বলে রহিমাকে জাকের মেম্বারের বাড়ী নিয়ে আসে। সেখানে আসলে কথিত আজগর সওদাগর মেহেদী ও রহিমার অন্তরঙ্গ কিছু ছবি দেখিয়ে ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে জাকের মেম্বার ও আজগর তাকে জোর করে ধর্ষণ করে।
ভিকটিম রহিমা বলেন, তার ও মেহেদীর দুই জনের অন্তরঙ্গ মুর্হতের ফুটোজ ও রয়েছে মেহদীর হাতে ছিল। কিন্তু এসব ফুটেজ বিভিন্ন কায়দায় আলী আজগরের কাছে কেমনে আসলো জানেনা সে।
এদিকে ভিকটিমের মা রোকসানা বলেন, মেহেদীর বিরুদ্ধে বিচার দিয়েছিলাম। কিন্তু জাকের মেম্বার দীর্ঘ এক মাস ধরে আজ কাল বলে কাল ক্ষেপন করছিল। হঠাৎ গত ৯ জুলাই আজগর সওঃ এসে জাকের মেম্বার ভিকটিম রহিমার সাথে একান্ত ভাবে বিচারের কিছু কথা বলবে বলে রহিমাকে জাকের মেম্বারের বাসায় নিয়ে যায়। বিকালে ভিকটিম বাড়িতে এসে কান্না করে বলে মা আমি চাকরীতে চলে যাব বলে সে আর কোন কথা বলেনি। পরে জানতে পারি মেম্বার ও আজগর মেম্বার সহ নাজিম মিলে আমার মেয়ে ভিকটিমকে ধর্ষন করে জোর পূর্বক। আর কিছু করলে মিথ্যা মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে ৬ নং ওয়ার্ডের মাতারবাড়ী সাবেক মেম্বার পুত্র মোয়াজ্জাম মুঠোফোনে বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনাটি সত্য। এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আজগরসহ কয়েকজন নষ্ট ব্যক্তি মিলে মাতারবাড়ী পুরান বাজার জাকের মেম্বারের বিল্ডিং এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ঘটনার মূলহোতা মাতারবাড়ী মেম্বার জাকের ও আলী আজগর।’ আমি সচেতন নাগরিক হিসাবে সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানাচ্ছি। যার মুঠোফোনে রেকর্ড আকারে সংরক্ষিত রয়েছে প্রতিনিধির। এলাকার কিছু লোক বলেন, এটা ধামাচাপা দিতে মাঃ নাজেম সহ একটি প্রভাবশালী মহল উঠেপড়ে লেগেছে। যেহেতু ভিকটিম একটি অসহায় পরিবার।

এ বিষয়ে জানতে জাকের মেম্বারের সাথে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা হলে, তিনি চট্টগ্রামে হাসপাতালে আছি বলে পরে কথা বলব বলে ফোনটা কেটে দেন।
এবিষয়ে জানতে আজগর সওঃ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন মেয়ে কে বা মেয়ের মা কে কাউকে চিনি না। আমাকে ফাঁসানোর জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করতেছে বলে ফোনটা কেটে দেন।জগ
এবিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম বলেন ভিকটিম যদি থানায় লিখিত অভিযোগ করে ঘটনা সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে ধর্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
###

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ