ডিসি’র চেয়ে শক্তিশালী বদরখালীর চাঁদাবাজ আকবর বাহিনী?

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০

বদরখালী চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় খরিয়ারদিয়া ঘাটে চাঁদাবাজী!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের উত্তর প্রান্তে ১ নং ঘোনায় অবস্থিত বদরখালী-খরিয়ারদ্বিয়া ফেরী ঘাট থেকে জেলাপ্রশাসক কর্তৃক বৈধ ইজারা গ্রহিতাকে উচ্ছেদ করে বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল বশরের সহযোগিতায় একটি চাঁদাবাজ বাহিনী প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজী করে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।এ নিয়ে ইজারাদার মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন রুবেল ৫ চাঁদাবাজকে আসামী করে জেলা প্রশাসক বরারবরে একটি লিখিত অবিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,  দীর্ঘদিন ধরে বদরখালী ১ নং ঘোনা এলাকায় অবস্থিত বদরখালী – করিয়ারদ্বিয়া কেয়া ঘাট ও ফরি ঘাটটি চলতি ১৪২৭ বাংলা সালের জন্য বদরখালী এলাকার মগনামা পাড়ার শফি উদ্দিনের পুত্র মোঃ রুবেল কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রায় ১১লক্ষ টাকা খরচ করে ১ বছরের জন্য ইজারা  গ্রহন করেন। সেই মোতাবক বিগত ২০/১৪/২০২০ ইং তারিখ পুর্ব বড় ভেওলা এলাকার ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মোঃ আবুল মনসুর উক্ত খেয়াঘাট ইজারাদার রুবেলকে হস্তান্তর করেন। কিন্তু বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল বশরের সহযোগীতায় বদরখালী ১ নং ব্লকের (১নং ওয়ার্ডের) উত্তর নতুন ঘোনা পাড়ার নুর মোহাম্মদের পুত্র হত্যা মামলার আসামী আলী আকবর, আব্দু শুকুর, কালা মিয়া, মৃত মোহাম্মদ হোছাইনের পুত্র নুরুল কবির ও মৃত খলিলুর রহমানের পুত্র জাকের হোছাইন মাঝি মিলে দীর্ঘদিন ধরে অস্থত্বহীন  একটি বালিকা মাদ্রাসার নাম দিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিল। তহশীলদার চলে আসার পর পরই তারাই রুবেলকে ঘাট থেকে উচ্চেদ করে এবং আবার ঘাটে গেলে মারবে, মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করবে সহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করে এমনকি প্রাণে মেরে ফেলবে বলে ও জানান।
রুবেল এ বিষযে জানতে চাইলে তারা চেয়ারম্যানের একটি কাগজ দেখান,  যেখানে চেয়ারম্যান শাহ মিজদিয়া রশিদিয়া বালিকা মাদ্রাসার অস্থিত্বহীন একটি প্রতিষ্টানের নামে ঘাট থেকে টাকা তোলার অনুমতি প্রদান করেন। এলাকাবাসী জানান,  দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান এভাবে চাঁদাবাজদের সাথে নিয়ে প্রায় কোটি টাকার সরকারী রাজস্ব বঞ্চিত করে নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে খাচ্ছে।  সেই প্রথম দিন থেকে অদ্যাবদি বৈধ ইজারাদার হয়েও রুবেল ঘাট থেকে টোল আদায় করতে পারেনি। এতে করে গত দেড় মাসে রুবেলের প্রায় দুলক্ষ টাকা ক্ষতি হয়। সাধারন মানুষের প্রশ্ন, চেয়ারম্যানের লালিত খুনি, চাঁদাবাজগন কি ডিসি’র চেয়ে ও শক্তিশালী? যেখানে ডিসি ইজারা দিলেও চাঁদাবাজরা ঘাট দখল করে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে? আর ডিসি’র ইজারাদারকে উচ্ছেদ করছে? তাদের কুঁঠির জোর কোথায়?
এবিষয়ে জানতে কিছু দিন আগে বদরখালী ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল বশরের সাথে ফোনে কথা হলে, উপরোক্ত ঘাটে তাহার কোন মানুষ নাই ও কাউকে টাকা তোলার অনুমতি ও দেয়নি বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ