সারা বছরজুড়ে অযত্নে-অবহেলায় কক্সবাজারের শহীদ মিনার

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯

রাতে চলে অনৈতিকতা, দিনে মানব আর কুকুরে একাকার,পবিত্রতা রক্ষার দাবী সচেতন মহলের
সারা বছরজুড়ে অযত্নে-অবহেলায় কক্সবাজারের শহীদ মিনার
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরীঃ
কক্সবাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি সারা বছর অযতœ-অবহেলায় পড়ে থাকে। শুধু বছরে একবার ২১ ফেব্রুয়ারি, একবার স্বাধীনতা দিবস ১৬ ডিসেম্বর ও একবার ২৬ মার্চ এ ৩ দিন আগে আগে শুরু হয়ে যায় ধোয়া-মোছা আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। এসময়ে রাজনৈতিক দল, পেশাজীবি আর বিভিন্ন সংগঠনের যেন পবিত্রতার সম্মান দিতে হুমড়ি খেয়ে পড়া। আর বছরের বাকি সময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনকে দেখা যায় অনেক সময় রাত্রে পথ মানবদের অনৈতিকতা, ময়লা-আবর্জনা ফেলা, কুকুর আর গরু ছাগলের বিচরন ভুমি, এমনকি মূত্র ত্যাগের স্থান হিসেবে ব্যবহার করতেই যেন শহীদ মিনার দাঁড়িয়ে আছে এমনই অভিযোগ সচেতন মহলে। কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে পেছনে রেখে সামনের খোলা জায়গায় সারা বছরই চলে বিভিন্ন সংগঠনের ও স্কুল কলেজের নানা অনুষ্ঠান। চলে মধ্যরাত পর্যন্ত নাচ-গানসহ নানা আয়োজন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সাংবাদিক কামাল উদ্দিন রহমান পেয়ারু বলেন, ‘জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সব শহীদ মিনারেই এমন অব্যবস্থাপনা দেখা যায়। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। এসব শহীদ মিনার শুধু ২১ ফেব্রুয়ারি আসলে মুছে পরিষ্কার করলে হবে না। সারা বছরই পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য লোক নিয়োগ করতে হবে। সারা বছর এই শহীদ মিনারগুলো যেন আমাদের মাঝে সম্মানের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।’ জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা সংগ্রামীদের নামসহ বোর্ড স্থাপনেরও দাবি জানান তিনি। কক্সবাজার শহর জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘শহীদ মিনারকে রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা জেনেছি অনেক সময় শহীদ মিনারের পিছনে রাত্রে নারী-পুরুষের অনৈতিকতা। তাই এটা দেখা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু আমাদের শহীদ মিনারগুলো যেভাবে অযতেœ পড়ে থাকে তা অবশ্যই অপমানকর। সারা বছরই শহীদ মিনারের রক্ষণাবেক্ষণ হওয়া প্রয়োজন, যাতে করে এর গুরুত্ব ২১ ফেব্রুয়ারির মতো সারা বছর মানুষ হৃদয়ে লালন করতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  এইচ এম মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার আমাদের সকলের জন্য পবিত্রতম জায়গা, আর এটার পবিত্রতা রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। এ কথা সবাইকে বুঝতে হবে। আর কোন ধরনের অনৈতিকতা ও অপবিত্রতার কোন অভিযোগ আসলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু