মাতারবাড়ীতে ৮টি বসতবাড়ী পুড়ে ছাই ! প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯

মাতারবাড়ীতে ৮টি বসতবাড়ী পুড়ে ছাই ! প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
আবু বক্কর ছিদ্দিক , মহেশখালী
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজঘাট এলাকায় একটি বসতঘরে আগুন লেগে একই সাথে প্রায় ৮টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । পাশাপাশি আরো ২টি ঘরের আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা । এলাকাবাসির সূত্রে জানা যায় , ২ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০ঘটিকার সময় দক্ষিণ রাজঘাট এলাকার আব্বাস উদ্দীনের বাড়ীর রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে । আগুন লাগার সাথে সাথে আশেপাশে সকল বাড়ীতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা বাতাসের কারনে দ্রুত আগুন নিভাতে সক্ষম হয়নি। স্থানীয়রা চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসে ফোন করলে তারা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে , ফায়ার সার্ভিস স্টেশন দুরে হওয়ায় তারা আসতে অনেক সময় লেগে যায় । একারনে চকরিয়া থেকে ফায়ার সার্ভিস পৌছার আগেই আগুনে পুড়ে যায় ৮টি বসতঘর । ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার সাইফুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন , আমরা আগুন ধরার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভাতে সহায়তা করি । এবং আগুনে প্রায় ৮টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং আরও দুইটি ঘর আংশিক ক্ষতিগস্থ হয়েছে সব তথ্যমতে প্রায় প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ীর মালিক আব্বাস উদ্দিন বলেন , আমার বাড়ীতে নগদ ১লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ও আট ভরি স্বর্ণ সহ প্রায় ৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে , আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তেমনি আব্দু রশিদ, গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল হালিম,জহির আহমদ সহ সবার একই অবস্থা। আগুন নিভানোর কাজে সহয়তা করা বিলপাড়ার মানিক বলেন , আগুন লাগার সাথে সাথে আমি সহ আরো অনেকে আগুন নিভানোর জন্য কাজ করেছি । মাতারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কায়েম উদ্দিন বলেন , আমার বাড়ীর পাশের ঘরে আগুন লাগার সাথে সাথে আমরা সবাই আগুন নিভানোর কাজে সরাসরি সহায়তা করি । এবং যাদের বাড়ী আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণের জন্য দাবি করছি । মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ বি এ বলেন , আমি এক ব্যাক্তির মাধ্যমে ফোনে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছি । ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ৮টি ঘর সম্পুর্ন ভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায় । আমি ঘটনাস্থল থেকে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এ ব্যাপারে অবহিত করলে তিনি আমাকে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষয়ক্ষরিত পরিমান উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন পাঠাতে বলেন । ইতিমধ্যে আমি পুড়ে যাওয়া ৮টি ঘরের ক্ষয়ক্ষরিত পরিমান উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী স্যারের অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছি । তার আগে আমার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রতি ঘরে ২ হাজার করে নগত টাকা , ১টি করে চাউলের বস্তা , ২টি কম্বল , শাড়ী ও লুঙ্গী সহ বেশ কিছু জরুরী প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেছি । ৮টি ঘরের ক্ষয়ক্ষরিত পরিমান প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার উর্ধে হতে পারে বলে জানান চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ । পুড়ে যাওয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শনে চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ’র সাথে ছিলেন , প্যানেল চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান এমইউপি , শাহাদাত হোছাইন নাছির এমইউপি , আলহাজ্ব রিয়াজ উদ্দিন এমইউপি । এদিকে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন কে স্থানীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক নগত টাকা , চাউল ও বস্ত্র বিতরণ করায় তারা মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা ।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু