বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর মামলার আসামী আ’লীগের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী !

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর মামলার আসামী আ’লীগের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী !

সময় বাংলা ডেস্কঃ

কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সে সময় কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করেন হামরাকারীরা। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী বাদি হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২০/২২ জনকে আসামী করে দ্রুত বিচার আইনের ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৩৫/২০১৪। অথচ সে মামলার অন্যতম আসামী স্থানীয় মৃত আব্দুল গণি সওদাগরের ছেলে শরিফ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন। এ নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদের নেতাদের অনৈতিকভাবে ম্যানেজ করে সাবেক বিএনপি’র এ নেতা আওয়ামী লীগে ভীড় করেছেন। আওয়ামী লীগে এসেই বাজিমাত তার। ভাগিয়ে নিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদকের পদ। এরপর থেকে পেছনে ফিরে থাকতে হয়নি তাকে। নিজেই দায়িত্ব নিয়ে ইসলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্মেলন করতে ব্যয় করছেন হাজার হাজার টাকা। আর নিজের প্রচন্দের লোকজনকে সভাপতি/সম্পাদকের পদ পাইয়ে দিচ্ছেন। গত কয়েক বছরে আওয়ামী লীগে তার অবস্থান এতই শক্ত হয়েছে যে, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগে নেতৃত্ব দেয়া নেতাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন। অথচ গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রার্থী তার বড়ভাই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর মামলার প্রধান আসামি আবুল কালামের পক্ষে নির্বাচন করেছেন শরিফ। ভাইয়ের জয় নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগে নেতাকর্মীদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেয় সাবেক বিএনপি নেতা শরিফ। অথচ মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে শরিফের আলৌকিক ক্ষমতায় বদলে যায় সব কিছু। এখন দলের সিনিয়র নেতারাও তার ভক্ত। এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুর আলম মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শরিফ ও ভাইয়ের কারণে ইসলামপুরে আওয়ামী লীগ করা কঠিন ছিলো। তাদের অত্যচারের মাত্রা এতই প্রখড় ছিলো যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়া ছিলো। সেদিনের মামলাটি দলের সাধারণ সম্পাদক বাদি হয়ে করেছিলেন। মামলার বিষয়টি তিনিই ভাল বলতে পারবেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতি আরো বলেন, শেখ হাসিনা বারবার হইব্রীড কিংবা ভিন্ন দল থেকে অনুপ্রবেশ ঘটানো নিষিদ্ধ করেছেন। অথচ কে শোনে কার কথা। শরিফের মতো সুযোগ সন্ধানি লোকদের দলের গুরুত্বপুর্ণ পদ দেয়া হচ্ছে। শরিফকে উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা বানানো হয়েছে। দলের সুসময়ে এসে তারাই আওয়ামী লীগের হর্তাকর্তা সেজে আছেন। বিষয়টি দু:খজনক।

এদিকে মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের পূর্ব নাপিতখালী এলাকার মৃত আব্দুল গণি সও: ছেলে আবুল কালাম (৪২) এর নেতৃত্বে সরকার বিরোধী হরতালের সমর্থনে বিভিন্ন সময় ভাংচুর, গাড়ি চলাচল প্রতিবন্ধকতা, অগ্নি সংযোগ এবং নাশকতা করে আসছিলো। ফলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে রাজনৈতিক মত বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। ঘটনার সময় ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর রাত অনুমান সাড়ে দশটার সময় ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী বটতলায় দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হরতাল বিরোধী জরুরী মিটিং করছিলো। এ সময় বিএনপি নেতা, আবুল কালাম ও ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য মো: শরিফের নেতৃত্বে শসস্ত্র ত্রিশজনেক লোক ফাঁকা গুলি করতে করতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চলায়। তাদের হামলায় দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহন চৌধুরীসহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ওসমান আলী মুর্শেদ, ছাত্রলীগ নেতা আবুল ফয়েজ জুয়েল, যুবলীগ নেতা রমজান আহত হয়। এ সময় হামলাকারিরা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করে এবং পা দিয়ে দলিত মলিত করে চলে যায়। এ ঘটনায় সাধারণ সম্পাদক বাদি হয়ে কক্সবাজার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার মাত্র ৫ বছরের মাথায় ২০১৯ সালে এসে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরকারী মো: শরিফ। এ বিষয়টি লজ্জার বলে মনে করেন দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সে সময় হামলায় আহত হওয়া ছাত্রলীগ নেতা ওসমান আলী মুর্শেদ বলেন, আওয়ামী লীগ করে এখন সত্য কথা বলা যায় না। সত্য বললে নেতাদের হাতে তিরষ্কৃত হতে হয়। সেদিন আমিও আহত হয়েছি। অথচ আজ সব কিছু কেমন যেন বদলে গেছে। আমরাই এখন বিরোধী দলে মনে হচ্ছে।

বিষয়টি জানতে মামলার বাদি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাজাহন চৌধুরী বলেন, আমরা যেহেতু রাজনীতি করি, সেহেতু তাদের সাথে মাঝে মাঝে কিছু তর্কবিতর্ক হতো। সে সময় আমাদের সাথে শরিফসহ বিএনপি নেতাদের সাথে হাতাহাতি হয়েছিলো। আমি ও আমার দলের কিছু কর্মী একটু আহত হয়েছিলো। তাই মামলাটি করেছিলাম। পরে আমি আমার রাজনীতির স্বার্থের কথা চিন্তা করে মামলাটি আপোষ করেছি।

তিনি বলেন, আমি শোনেছি শরিফ ইউনিয়ন বিএনপির একজন সদস্য ছিলো। গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেহেতু তার বড়ভাই ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছেন সঙ্গত কারণে ভাইয়ের পক্ষে নির্বাচন করাটাই স্বাভাবিক।

অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো: শরিফ হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও মামলাটি মিথ্যা বলে দাবি করে বলেন, এটি মূলত ট্রাসপোর্ট নিয়ে ঘটনা ঘটেছিলো।

বড়ভাই বিএনপি নেতা স্বীকার করে বলেন, তিনি বিএনপি করলেও আমি আওয়ামী লীগ করি।

এক পর্যায়ে প্রতিবেদকের কাছে উল্টো প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ঘটনা ২০১৯ সালে এনে টানাটানি করছেন কেন ? সদর উপজেলায় কি একমাত্র আমিই আলোচিত ব্যক্তি ? আরো অনেকে তো আওয়ামী লীগে এসেছে, তাদের নিয়ে লেখেন না কেন ?

জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম বলেন, এক সময় ইসলামপুরে আওয়ামী লীগ করাটা দুষ্কর ছিলো। শরিফ দলে আসার পর থেকে সেখানে আওয়ামী লীগের অবস্থান ভাল হয়েছে। সে দলের দায়িত্ব পেলে তার ভাই আর বিএনপি করার সুযোগ পাবে না বলে দাবি করেছেন তিনি। সূত্র-আলোকিত কক্সবাজার

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু