উত্তর মহেশখালীতে প্রতিনিয়ত আগুনে পুড়ছে ঘর-বাড়ী, অশ্রু ঝরে নিরোপায় মানুষের

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯

উত্তর মহেশখালীতে প্রতিনিয়ত আগুনে পুড়ছে ঘর-বাড়ী, অশ্রু ঝরে নিরোপায় মানুষের
জোরালো হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
উত্তর মহেশখালীতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় সহায় সম্বল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেলে দেখা মিলে ফায়ার সার্ভিস টীমের। প্রতিনিয়ত আগুনে পুড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে সাধারন মানুষের। নিরোপায় মানুষের অশ্রু আর হাহাকারে ভারি হয়ে উঠে উত্তর মহেশখালীর বাতাশ। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল সকাল দশটার সময় মাতারবাড়ী দক্ষিণ রাজঘাটে গ্যাসের চুলার আগুন লেগে মুহুর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে ৮টি বসতঘরে। প্রায় দু’ঘন্টার আগুনে ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়। আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরো দুটি বসতবাড়ী। আর এতে করে উত্তর মহেশখালীতে ফায়ার সার্ভিসের দাবী জোরালো হচ্ছে। গতকালে অগ্নিদুর্ঘটনায় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান মেম্বার রিয়াজ উদ্দিন। প্রায়সময় উত্তর মহেশখালীতে আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনো উপেক্ষিত ফায়ার সার্ভিসের দাবি। অনেকেই জানান দেশের একমাত্র ব্যতিক্রমি উপজেলার নাম মহেশখালী। ভৌগোলিক কারণে ব্রিটিশ আমল থেকে প্রশাসনিক সবকিছু উপজেলার সর্বদক্ষিনে অবস্থিত। এরপর থেকে আর ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি উত্তর জনপদে। কক্সবাজার মহুকুমার সাথে যোগাযোগ সুবিধার্তে ঐসময়ে গোরকঘাটায় প্রশাসনের সব অফিস স্থাপন করেন বলে জানান প্রবীণরা। এরপর ক্রমশ অধিকাংশ নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত হয় উত্তর মহেশখালীর জনগোষ্ঠি। উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও নেই কোন মেডিকেল অফিসার। বিগত কয়েক দশক হতে শাপলাপুর, কালারমারছড়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটার অবহেলিত মানুষের কয়েকটি অতিগুরুত্বপূর্ন দাবির মধ্যে ফায়ার সার্ভিস অন্যতম ও সময়ের দাবি। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার উত্তর মহেশখালীতে অগ্নি দুর্ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও জনগুরুত্বপূর্ণ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপিত না হওয়ায় ক্ষোভে’র বহিঃপ্রকাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। অগ্নি দুর্ঘটনায় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে সামান্য পরিমান সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকে কার্য্যক্রম। মহেশখালীতে সর্বদক্ষিনে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অবস্থিত হওয়ায় উত্তর মহেশখালীতে দুর্ঘটনাস্থলে আসার পূর্বে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় সহায়-সম্বল। এক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের প্রতি কোন আক্ষেপ নেই ক্ষতিগ্রস্তদের। অনেক সময় দূরত্ব আর ভাঙা সড়কের কারণে যথাসময়ে পৌছানো সম্ভব হয়না ফায়ার সার্ভিস টীমের । তাই উত্তর মহেশখালীতে কোন অগ্নিদির্ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের অবস্থা অনেকটা ডাক্তার আসার পূর্বে রোগী মারা যাওয়ার মতো। যুগযুগ ধরে কালারমারছড়া, শাপলাপুর, মাতারবাড়ীতে বেশ কয়েকবার অগ্নিদুর্ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও উত্তর মহেশখালীবাসির জানমাল রক্ষার্থে ফায়ার সার্ভিস স্থাপনে কোন সুনজর নেই জনপ্রতিনিধিদের, এমন অভিযোগ উঠেছে। তাই আক্ষেপ শুধুই সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের ওপর। অনেকেই জানান- প্রায়সময় দক্ষিনের এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ায় বাস্তবায়ন হয়নি উত্তরের জনগুরুত্বপূর্ন দাবি। গত পাঁচটি বছর মুহাম্মদ হোছাইন ইব্রাহীম উপজেলা চেয়ারম্যান হলেও উন্নয়ন বঞ্চিত থেকে যায় উত্তর মহেশখালী। এছাড়াও মাতারবাড়ী হতে একই সময়ে দু’জন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি সেই সময়ে। এমনকি ফায়ার সার্ভিস স্থাপনের মতো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজটিও আলোর মূখ দেখেনি। শুধুতা’ই নয় উত্তরের চারটি ইউনিয়নে বিভিন্ন সময়ে অগ্নি দুর্ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষণে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সরকার দলীয় নেত্রীবৃন্দরা কখনো ফায়ার সার্ভিসের জন্য জোরালো কোন পদক্ষেন নেয়নি বলে জানান অনেকেই। তাই যুগযুগ ধরে অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তর মহেশখালীবাসি। বর্তমানে মহেশখালীর চালিয়াতলী স্টেশন সংলগ্ন সরকারি জায়গায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করলে কালারমারছড়া, শাপলাপুর, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের অগ্নিদুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে। এছাড়াও চকরিয়া উপজেলার বদরখালী বাজারে বেশ কয়েকবার অগ্নি দুর্ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। দূরত্বের কারণে চকরিয়া থেকে আসার পূর্বে আগুনে চুরমার হয়ে যায় ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন। চালিয়াতলী স্টেশনের সাথে বদরখালী সামান্য দূরত্বে হওয়ায় চালিয়াতলীতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপিত হলে বদরখালীর অগ্নি দুর্ঘটনায় যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। ইতিপূর্বে মহেশখালীর উত্তরের ইউনিয়ন গুলোতে প্রতিবছর আগুন দুর্ঘটনায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কাজে আসেনি গোরকঘাটায় অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস। তাই উত্তর মহেশখালীর অগ্নি দুর্ঘটনারোধে ফায়ার সার্ভিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবি বাস্তবায়নে সংশি¬ষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেন। তবে কয়েক মাস পূর্বে সংশি¬ষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ মাতারবাড়ীতে ফায়ার সার্ভিস স্থাপনের লক্ষ্যে সরজমিন পরিদর্শন করেছিল। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামিরুল ইসলাম জানান-মাতাবাড়ীতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হবে। তা যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে প্রয়োজনীয় কাজ করবেন। কবে বাস্তবায়ন হবে উত্তর জনপদে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন? এমন প্রশ্নের উত্তর খোঁজে অনেকেই।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু