ভরা মৌসুমেও লাগামহীন শীতকালীন সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯

শহরের বাজারগুলোতে দামের তারতম্য………………………………………………………..
ভরা মৌসুমেও লাগামহীন শীতকালীন সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম
নুরুল আমিন হেলালীঃ
ভরা মৌসুমেও পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন খোলা ও পাইকারী বাজারে লাগামহীন সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম। গত কিছুদিন ধরে দাম বাড়তে থাকা পেয়াঁজের মূল্য নির্ধারণে সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার আশ্বস্ত করা হলেও এক শ্রেণীর অতি মূনাফালোভী মজুদদার ব্যবসায়ীদের কারণে এর সুফল ভোক্তাসাধারণ ভোগ করতে পারছেনা। এছাড়া শহরে স্থায়ী এবং অস্থায়ী বাজারগুলোতে দ্রব্যমূল্যের দামে বিস্তর তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। এমনকি শহরের পাইকারী মুদির দোকান গুলোতে সরকার প্রদত্ত নিত্যপণ্যের দামের তালিকাও টাঙানো হয়নি। পর্যটন মৌসুমে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে এক শ্রেণির মুনাফাদস্যু ও মজুদদার ব্যবসায়ী পিয়াজ, আদা, রসুন, সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। সরেজমিনে গতকাল শহরের বৃহত্তম পাইকারী ও খুচরা মার্কেট বড়বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহে পেয়াজ, আদা, রসুন, মাছ, ও কাঁচা শাকসবজির দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়েছে। তবে কিছু কিছু পন্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই সময়ে পর্যটন শহরে বাড়তি চাহিদার কারণে কিছু কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও মাছ, মাংস, পেয়াঁজ, রসুন, আদা ও সবজির দাম সাধারন ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাজার করতে আসা রফিক, আবু বক্কর, আব্দু জলিলসহ কয়েক দিন মজুর ক্ষুব্ধস্বরে বলেন, দেশটা মগের মুল্লুখ হয়ে গেছে একটু সুযোগ পেলেই নিজেদের ইচ্ছেমত জিনিসপাতি বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। যেন দেখার মত কেউ নেই। সরেজমিনে বড়বাজার, বাহারছড়া বাজার, কানাইয়া বাজার, কলাতলি বাজার, কালুরদোকানসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে পিয়াজের কেজি ১৯০ থেকে ২২০ টাকা, আদা প্রতি ১৬০ টাকা, ছোলা ৭০ টাকা, মসুরডাল ১২০ টাকা, ডিম প্রতি হালি ২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩২ টাকায় দাড়িয়েছে। প্রতি কেজি রসুন ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, চিনি, আটা, ময়দা, গুড়ো দুধ ও তরল দুধের দাম। অন্যদিকে কাঁচা শাকসবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুনহারে। কাচা মরিচ ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা, প্রতি কেজি শসা ৮০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা , চিচিঙ্গা ৫০ টাকা , পটল ৬০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, তিত করলা ৫০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা , মুলা ৫০ টাকা, আলু ২৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে বেগুন ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা থেকে বেড়ে কেজিতে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সবজির বাজারমূল্য বেড়েছে প্রায় সমানতালে। বাহারছড়া বাজারে বাজার করতে আসা শহরের বাসিন্দা চাকুরিজীবি ফরিদুল আলম এই প্রতিবেদককে জানান, রাজধানীশহরে বাজার তদারকিতে নিয়মিত টহল থাকলেও কক্সবাজার শহরে বাজারগুলোতে নিয়মিত তদারকি না থাকায় নিজেদের ইচ্ছেমত সবজির দাম নিচ্ছে বিক্রেতারা। বড়বাজারের সবজি বিক্রেতা আবু জাফর জানায়, পাইকারী বাজারে দাম বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে মাছ-মাংসের দোকান ঘুরে দেখা যায় ছোট বড় সব প্রজাতির মাছ, মাংসের দাম বেড়েছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় মাছ,মাংসের সরবরাহ কম থাকায় বিক্রেতারা লাগামহীনভাবে দাম হাঁকাচ্ছে যা সাধারনক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু