একজন দুর্নীতিবাজের কাহিনী ও একজন প্রতিবাদীর আত্মহুতির ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিবেদক‌
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯

কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ জরুরী

অজপাড়া শিক্ষা বঞ্চিত একটি গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে নিজে জায়গা দিয়ে, পয়সা দিয়ে দুছালা একটি ঘর করে বেসরকারী প্রাইমারী স্কুল প্রতিষ্টা করলো। নিজের জমি বিক্রি করে দেড় যুগ পাঁচজন শিক্ষকের বেতনও দিল। বলতে গেলে দেশকে ভালবেসে নিজে নিঃস্ব হলো। স্বপ্ন ছিল নিজ এলাকার ভবিষ্যত প্রজন্ম শিক্ষিত হবে। কিন্তু কে জানতো বর্তমান আমলাতান্ত্রিক যুগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে মামলা হামলা আর নিরোপায় হয়ে আত্মহত্যার (ঘোষনার)পথ বেচে নিতে হবে? হ্যা, আমি বলছি কক্সবাজার জেলার, চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের মুছারপাড়া (বর্তমানে) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা। আর তারই প্রতিষ্টাতা নির্যাতিত আমিনুল মোস্তফা আবেগের বশে ঘোষনা দিল আত্মহুতির। দুর্নীতিবাজ চকরিয়া উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষাকর্মকর্তা আবু জাফরের অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়াই তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নির্যাতন। দুর্নীতিবাজ আবু জাফরের পক্ষ নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সহযোগিতায় বিভাগীয় প্রাঃ শিক্ষা কর্মকর্তাকে ভুল বুঝিয়ে বিধি বহির্ভুত ভাবে প্রতিষ্টতার স্ত্রী আরেফা বেগমকে পিটিআই থাকাকালে বদলির অর্ডার করলো। পিটিআই এর অধিনে থাকাকালে শিক্ষক বদলির কোন আইন না থাকলেও আরেফার বেলায় তা করা হলো। আর এ অর্ডারপত্র গোপন করে বদলিকৃত বিদ্যালয়ে যোগদান না করায় তাকে সাসপেন্ড করা হলো অমানবিক ভাবে। করা হলো বিভগীয় মামলা। অথচ সেই আরেফা বেগমই বিদ্যালয়টির জমিদাতা। কক্সবাজার জেলা প্রাঃ শিক্ষা কর্মকর্তা, চকরিয়া উপজেলা প্রাঃ শিক্ষা কর্মকর্তা আর দুর্নীতিবাজ আবু জাফরের যৌথ রোষানলে পড়ে একটি শিক্ষানুরাগী, দেশদরদী পরিবার ধ্বংসের মুখে। কিন্তু কে দেখবে এ সত্যটা? টাকার দুনিয়ায় টাকা না দিলে ন্যায় বিচার আশা করা দুরহ বিষয়। কক্সবাজারের মাননীয় জেলা প্রশাসক কি এগিয়ে আসবেন? সত্য উদঘাটন করে ন্যায় প্রতিষ্টার? তা না হলে কে আগাবে সমাজের ভাল কাজে? যদি নিজের জমি আর অর্থ দিয়ে এমন নির্যাতন কপালে জুটে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একথা জানলে হয়তো কঠোর ব্যাবস্থা নিত। কিন্তু একথা কে শুনাবে প্রদানমন্ত্রীর কানে? তবে আমিনুল মোস্তফাকে বলবো, ভাই, আত্মহুতির চিন্তা না করে সত্যের পক্ষে লড়ে যান। নিশ্চই সত্য একদিন জয়ি হবেই। বিঃ দ্রঃ – দুর্নীতির সব তথ্য সংরক্ষিত আমার হাতে আছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু