মহেশখালীর শাপলাপুরে সাঈদুল ইসলামকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার ●
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯

মহেশখালী উপজেলা আসন্ন শাপলাপুর ইউপি ১২ ডিসেম্বরের অনুষ্টিতব্য নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রতিদন্ধিতা করার দাবিতে স্থানীয় জনসাধারণ তার বাড়ীতে বিক্ষোভ করেছে। যদিও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়নে দলীয় প্রতিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
দলীয় মনোনয়ন তাকে না দেওয়ার ঘোষনার পর সাঈদুল ইসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে না মনে করেন, কিন্তু স্থানীয় ভোটারেরা সাইদুল ইসলাম ঢাকা থাকা অবস্থায় তার অনুপস্থিতিতে তিনি যাতে যেকোনভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন সে দাবী জানান তার বাড়ীতে অাগত ভোটারা । গতকাল ১৩ নভেম্বর রাত ৯ টায় সাইদুল ইসলামের বাড়ীতে মিছিলে মিছিলে জমায়েত হতে থাকে এলাকার হাজার হাজার নারী পুরুষ। পরে স্থানীয় ৫ হাজারের অধিক জনসাধারন নারী পুরুষ সমবেত কন্ঠে সাইদুল ভাই -সাইদুল ভাই, সাইদুল ছাড়া বিকল্প নাই। তাকে চমরা চেয়ারম্যান হিসাবে প্রার্থী চাই। শাপলাপুরের মাঠি সাইদুল ভাইয়ের ঘাটি বলে শ্লোগান দিতে থাকে। শাপলাপুরের রাজনৈতিক, শিক্ষা, সংস্কৃতি, উন্নয়নের ইতিহাসে হাজী গোলাম নবী প্রকাশ গোলাইল্যাবর পরিবারের অনেক অবদানের কথা স্বীকার করে তারা যে কোন মূল্য সাইদুল ইসলামকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্ধীতা করার ঘোষনা দেয়। অন্য ইউনিয়ন থেকে শাপলাপুরে ইউনিয়নে আগত কোন ব্যক্তিকে শাপলাপুরের মাঠিতে নির্বাচিত করার সুযোগ না দেওয়ার আহবানও জানান তারা।
যারা প্রকৃত আওয়ামীলীগের পরিবার তাদের দলীয় মনোনয়ন না দিলেও সাইদুল ইসলাম চৌধুরীর সমর্থকরা জনদরদী, জননন্দীত,
আপোষহীন, গণমানুষের নেতা হিসাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় সমবেত জনতার উদ্দ্যেশে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবিদ ফরিদুল আলম চৌধুরী, শাপলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নুরুল আবছার, শাপলাপুর ইসলামিয়া অালিম মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মোজাহেরুল ইসলাম, যুবলীগের সভাপতি সামিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক জালাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আবু তাহের, ব্যবসায়ী জাফর আলম সওদাগর,বাদশা মিয়া প্রমুখ।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু