বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দক্ষ ও সফল রাষ্ট্রনায়ক এরশাদ

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার ●
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার:

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দক্ষ ও সফল রাষ্ট্রনায়ক জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি আধুনিক বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা। ১৯৮২সালের ২৪ মার্চ সেনানায়ক থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েই তিনি বলেছিলেন,৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।বাংলার মানুষ তাই তাকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে উপাধী দিয়েছে পল্লীবন্ধু।তিনি একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক ও সেনাপ্রধান ছিলেন। প্রশাসক ও কবির স্বপ্ন একসঙ্গে একাকার হয়ে ছিল বলেই তিনি হতে পেরেছেন গতিশীল,আধুনিক ও মানবতাবাদী মনের মানুষ।রবিবার (২৭ অক্টোবর)বিকালে নবগঠিত ‘পল্লীবন্ধু পরিষদ’ কক্সবাজার জেলা শাখার অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব খোরশেদ আরা হক কথাগুলো বলেন।পরিষদের কক্সবাজার জেলা শাখার আহ্বায়ক মাস্টার এমএ মনজুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, ১৯৯০ সালে দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এরশাদ পদত্যাগ করে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সফলতা পরিচয় রাখেন সবখানে। নিজের প্রজ্ঞা, জ্ঞান ও শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে চেয়েছেন নতুন বাংলাদেশ। তাই তিনি বৃটিশ আমলের ঘুনেধরা প্রশাসন ভেঙে দিয়ে সৃষ্টি করেন উপজেলা পদ্ধতি-জনগণের নির্বাচিত প্রশাসন ব্যবস্থা।পল্লীবন্ধু পরিষদের আহবায়ক হওয়ার পর প্রথম আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতা বক্তব্যে মাস্টার এমএ মনজুর বলেন, যুগ-যুগান্তরের আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা পরিবর্তন ও প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরণের জনক পল্লীবন্ধু এরশাদ। তিনি বাস্তবায়িত করেন যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ভূমি সংস্কার, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের হাজার হাজার প্রকল্প। এর মধ্যে কৃষি ও শিল্প উন্নয়নমুলক প্রকল্পের সংখ্যাই বেশি। এছাড়া সড়ক উন্নয়নসহ যোগাযোগের আধুনিকায়ন তো এরশাদকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে। তাই দেশের প্রয়োজনে এরশাদের মতো নেতৃত্ব আরও বেশি দরকার।অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুফিজুর রহমান মুফিজ। তিনি শুরুতে পল্লীবন্ধু পরিষদের নতুন যাত্রাকে অভিনন্দন জানান।এরপর বলেন, নৌকায় উঠেও রাশেদ খান মেননরা বেঈমানি করতে পারে, আমাদের নেতা এরশাদ আওয়ামী লীগের সাথে বেঈমানী করে নি। তাই বারবার এরশাদের সমর্থন নিয়েই আওয়ামী লীগ ক্ষমতার মসনদে বসেছে। দুঃখের বিষয়, সরকারের অংশীদার হওয়ার পরও অবমূল্যায়ন নিয়ে মরতে হয়েছে সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনারা ক্ষমতার আগে জন্ডিস রোগির মতো ছিলেন। আজ ওঠের মতো সবল হয়েছেন। আপনাদের নেতারা সম্পদের পাহাড় গড়েছে। চারিদিকে লুটপাট চলছে। যে যা পায়, সব পকেটে ঢুকাচ্ছে।বিশেষ টিম পাঠিয়ে কক্সবাজারের পরিস্থিতি দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানান জাপা নেতা মুফিজ।তিনি বলেন, কক্সবাজার শহর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট খানখান। রোহিঙ্গাদের কারণে সামাজিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়ে গেছে। কক্সবাজারকে বাঁচান। বিমানবন্দের নামে কোন মানুষকে যেন উচ্ছেদ করা না হয়। পুনর্বাসনের জন্য নির্মিতব্য ৩৬০ স্কয়ারফিট ছোট্ট ঘরে কোন মানুষ বসবাস করতে পারেনা। আমাদের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ দিন। কক্সবাজারকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।প্রশাসন ও নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, কক্সবাজার পৌর এলাকায় মেরামতের নামে অপচয় বন্ধ করুন। সংস্কার নয়, ডিসির ঘোষণা মতে, মজবুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন চাই।চলমান ছাত্র রাজনীতির সমালোচনা করে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক বলেন, একটি লাশ পড়েছিল বলে পল্লীবন্ধু এরশাদ ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করেছিলেন। তিনি সবসময় ছাত্র রাজনীতির বিপক্ষে ছিলেন। আজ শিক্ষাঙ্গণে ছাত্রদের অপরাজনীতির কারণে আবরারের মতো মেধাবীরা লাশ হচ্ছে। ৩০ বছর পরে হলেও ছাত্র রাজনীতি বন্ধে এরশাদের সেই ফর্মুলা নিয়ে ভাবছে জনগণ।পল্লীবন্ধু পরিষদের জেলা সদস্য সচিব এসএম মাহাবুব সিদ্দিকী ও জাতীয় ছাত্র সমাজের জেলা সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন -জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন চেয়ারম্যান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পল্লীবন্ধু পরিষদের যুগ্মআহবায়ক রুহুল আমিন সিকদার, মহেশখালী উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ও পল্লীবন্ধু পরিষদের সদস্য আবুল বশর পারভেজ, পল্লীবন্ধু পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম, ওলামা পার্টির জেলা সভাপতি মাওলানা শফিউল্লাহ জিহাদী,জাতীয় ছাত্র সমাজের জেলা সভাপতি সুলতান মাহমুদ, পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সিরাজুল মোস্তফা বাঁশি,মুফিজুর রহমান, ওবায়দুর রহমান কায়সার, পৌরসভা ১ নম্বর ওয়ার্ড জাপা সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন বাবুল কুতুবী। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ জাকির হুসাইন। স্বাগত বক্তব্য দেন পল্লীবন্ধু পরিষদের জেলা সদস্য সচিব এসএম মাহাবুব সিদ্দিকী।উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর পল্লীবন্ধু পরিষদ কক্সবাজার জেলার আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন হয়েছে। দেশের কোন জেলা পর্যায়ে প্রথম ঘোষিত ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির প্রথম অভিষেক কক্সবাজারে সফলভাবে সম্পন্ন হলো।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু