গার্মেন্টসকর্মী দুই কোটি টাকা নিয়ে পালাতক দামোস চেয়ারম্যান মনসুর আটক

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯

রানা সাত্তারঃ নীরহ দুহাজার জন গার্মেন্টসকর্মীদের প্রায় দুই কোটি টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ পালাতক গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি আসামী মুজিবুর রহমান মনসুর নেত্রকোনা থেকে আটক করা হয়।

জানা যায়, মুজিবুর রহমান মনসুর (পিতাঃ আবুল কালাম, সাইদপাড়া, থানা-কেন্দুয়া)সহ তারা ছয়জনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি মামলা রয়েছে যার সি. আর নং ৪৬/২০১৯.যাহা পিবিআই’য়ের তদন্তে রয়েছে।

গত ২০ অক্টোবর, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান বুঝতে পেরে মুজিবুর রহমান মনসুর কে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানা পুলিশ আটক করা হয়।তার আগে একই মামলায় আটককৃত অন্য দুই জন আসামী কে নেত্রকোনা জেলা আদালত জামিন দেয়।এবার মামলার প্রধান ও আসামী আত্তসাতের ছকের নেতা আটককৃত মনসুর কে জেলে পাঠানো হয়,মনসুর বর্তমানে নেত্রকোনা জেলে রয়েছে।

বাদীপক্ষ জানান,মনসুর বাকি দুজনের মত জামিনের জন্য তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।এই ব্যাপারে বাদি ও ভুক্তভোগী মমতাজ জাহান পারভীন (৩০)ও রিনা সবার প্রতিনিধি হয়ে জানান,আমরা গার্মেন্টসকর্মি হিসাবে কাজ করে খুব কষ্টে অর্জিত অর্থ তার হাতে দিয়েছিলাম,এখন মনসুরের তিনটি অফিস মিলে প্রায় দুই হাজার খেটে খাওয়া মানুষ পথে বসেছে প্রায়।অনেক মহিলার সংসারে চলছে অশান্তি।স্বামী স্ত্রীর তালাকের মত নেক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছে।স্টোক করেছেন বহু মানুষ।আত্বহত্যার মত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বহুজন বহুবার।

অবশেষে,মনসুর এর গ্রেপ্তার হওয়া ও নেত্রকোনা আদালতে বিচারাধীন শুনে ঈদের খুশি যেন তাদের মনে।এই ব্যাপারে কথা বললে তারা সমোচ্চারিত কন্ঠে বলেন মমতাময়ী মা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, দেশনেত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ, আইনের মাধ্যমে তাদের এই ক্ষতিপূরণ তার কাছ থেকে ফেরত চান।সেই সাথে তার দৃস্টান্তমুলক শাস্তি চায় যেন আর কোনা কেও যেন নিম্ন আয় ও দুস্থমানুষের ভাগ্য ও আশা নিয়ে যেন ছিনিমিনি খেলার সুযোগ যেন না পান।তারা বিশ্বাস করেন মহামান্য বিজ্ঞ আদালত তাকে নামঞ্জুর করে সাজার আওতায় আনবেন।

প্রসংঙ্গতঃ২০১২ সালে থেকে মনসুর দীর্ঘদিন যাবৎ পতেঙ্গায় বসবাস করে আসছিলেন।জায়গাটি যেহেতু ইপিজেড এলাকা তাই গার্মেন্টসকর্মিদের নিয়ে ভাল কিছু একটা করার পপরিকল্পনা করছিল, তাই ভেবে সহজ সরল,অবলা নারীসহ অনেকেই বিশ্বাস করেছিল তাকে।সবার দর্বলতার সুযোগ নিয়ে মনসুর ও তার সহযোগী হিসাবে ভগ্নিপতি ও তার নিজ ছেলে মলে দামোস নামে একাটি সমিতি খুলে বসে।ছলে বলে কৌশলে সবাইকে একাউন্ট করিয়ে নেন।শুরুতেই ডেইলি,সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তি,আবার এফডি আর নামক সবাইকে সমতির বইও দেন।সবাইকে ডাবল টাকা দিবার আশা দেখান।সদস্যদের টাকা গুলি কোথায় ব্যাবহার করা হচ্ছে জানতে চাইলে বলতো নেত্রকোনায় জায়গা কিনা হয়েছে সেখানে ভাড়া দেয়া হয়েছে লাভের শেয়ার ও জায়গার শেয়ার সবাই।

এর মধ্য হঠাৎ করে একদিন মনসুর উধাও।তার পরিবার ও কে জিজ্ঞাস করা হলে তারা জানে না বলেন।মনসুর ও তার সহযোগী সবাইকে আসামী করে পতেঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ করা হয়।অভিযোগের ভিত্তিতে ছেলে কে থানায় হাজির করা হলে তারা মুছলেখা দিয়ে একটি ওয়াদা ও আপোষ নামায় স্বাক্ষর করে আসেন।এর কিছুদিন রাতের আধারে তারাও পলায়ন করবন।
এর পরিপেক্ষিতে,ভুক্তভোগীরা মিলে চট্টগ্রাম আদালতে একটি মামলা করেন, সেই মামলা পিবিআই তে দেয়া হলে দীর্ঘদিন তার অবস্থান জানার চেষ্টা করিলে ২০ অক্টোবর তাকে নেত্রকোনা থেকে আটক করা হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু