নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে যুবলীগ নেতা জহির ও ছাত্রলীগ নেতা বিপলু

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার ●
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার:
দেশব্যাপী চলমান ক্যাসিনো ও দুর্ণীতি বিরোধী শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল ও সন্ত্রাস, মাদক, দুর্ণীতি বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ’কে বাঁধা দিতে উঠেপড়ে লেগেছে স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল, গত ১১ ই অক্টোবর শুক্রবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী চলমান এই শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম  পাঁচলাইশ থানা ও মহানগরের নেতাকর্মীরা, অনুষ্টিত সমাবেশের খবর স্থানীয় ও জাতীয় পত্র-পত্রিকা এবং নাম বিশিষ্ট অনলাইন গনমাধ্যমে একযোগে প্রকাশিত হয়।

নগর ছাত্রলীগ নেতা ও জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের পাঁচলাইশ থানা শাখার বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর বিপলুর সঞ্চালনায় যুবলীগ নেতা ইকতিয়ার আহমেদ জহিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় সমাবেশে প্রধান অথিতি ছিলেন মহানগর ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড মহিলা সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিল জেসমিন পারভিন জেসি, বিশেষ অথিতি ছিলেন পাঁচলাইশ থানা আওয়ামিলীগ নেতা এসএম খালেদ বাবলু।

কিন্তু এই স্বাগত মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত চট্টগ্রাম প্রতিদিন নামে একটি অনলাইনে অর্থের বিনিময়ে “সন্ত্রাসীদের নিয়ে সন্ত্রাস বিরোধী মিছিলে জেসি” শিরোনামে একটি মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল। প্রকাশিত সংবাদে যুবলীগ নেতা ইকতিয়ার আহমেদ জহিরকে সন্ত্রাসী ও ছাত্রলীগ নেতা নুরুল বশর বিপলুকে যুবলীগ নেতা ফিরোজ আহমেদের সেকেন্ড ইন কমান্ড আখ্যায়িত করেছেন।

সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার রাতেই যুবলীগ নেতা ইকতিয়ার আহমেদ জহিরের বাসায় পাঁচলাইশ থানার একজন সিভিল কর্মকর্তা জহিরকে খুঁজতে যায়, জহিরের পরিবার কেন তাকে খুঁজছে জানতে চাইলে সিভিল ওই কর্মকর্তা জানান, জহিরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, কিন্তু সেদিন রাতে প্রকাশিত সংবাদে পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভূইয়া পূর্বে দায়েরকৃত ৫টি মামলাতেই জহির জামিনে আছেন বলে জানান। এবিষয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে মোটোফোনে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি তিনি। এনিয়ে চরম জীবন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে বলে জানান তরুণ এই দুই নেতা।

জহির ও বিপলু বলেন, স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য ক্ষমতার জোর ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আমাদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হয়রানি করে আসছে, এতে আমরা আতঙ্কিত অবস্থায় বসবাস করছি, আমরা এর প্রতিকার চাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে।

জহিরকে মিথ্যে মামলা ফাঁসানোর পর অনুসন্ধান যা বলছে:
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০১৮ সালের ২৩ই আগস্ট মো ইছা নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা দাবি ও গরু বাজারে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে একদল সন্ত্রাসী এবং সেদিনই ইছা পাঁচলাইশ থানায় একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করেন সেখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য অর্থের বিনিময়ে যুবলীগ নেতা জহিরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়। মোঃ ইছা দায়েরকৃত মামলায় নিজেকে ইজারাদার দাবি করলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কতৃপক্ষ সূত্রে জানা যায় ইজারাদার তালিকায় তার কোন নামই নাই। পরে বিষয়টির সত্যতা মিললে দায়েরকৃত মামলার সাপ্তাহের ভেতর আদালত মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো জহিরকে জামিন দেয়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় ২০১৪ সালের ২৩ই নভেম্বর চট্টগ্রামের আলোচিত রাজু হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা জহিরকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়, জানা যায় ছিনতাই করার সময় স্থানীয় জনতা রাজুকে গনপিটনি দিলে রাজুর মা জহিরকে ডাকতে যায় পরে জহির ব্যবসায়িক কাজে বাহিরে থাকায় জহিরকে পায়নি রাজুর মা, জহিরকে উপস্থিত না পেয়ে রাজুর ভাই সে আলোচিত হত্যা মামলায় জহিরকে মিথ্যে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেই। ছিনতাই, খুন, খারাপী ছিলো রাজুর একমাত্র পেশা বলেও জানান স্থানীয়রা।

পাঁচলাইশ থানার তৎকালীন সময়ের ওসি মহিউদ্দীন মাহমুদ ছিনতাইয়ের সময় স্থানীয় জনতা কতৃক রাজু হত্যার কথাও জানিয়েছেন গনমাধ্যমকে, পরে “গনপিটনিতে ছিনতাইকালে এক কিশোরের মৃত্যু সহ বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম প্রতিদিন অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদে জহির ৫টি মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান পাঁশলাইশ থানার (বর্তমান) ওসি আবুল কাশেম ভূইয়া।

ইকতিয়ার আহমেদ জহিরের পারিবারিক ঐতিহ্যঃ
এলাকায় খ্যাতি আছে জহিরের পারিবার প্রকৃতপক্ষে একটি আওয়ামী পরিবার, জহিরের পিতা ফয়েজ আহমেদ (শুক্কুর কোম্পানী) একজন মুক্তিযোদ্ধা, ছিলেন পাশাপাশি ১৯৯৭ সালে পশ্চিম ষোলশহর বি-ইউনিটের আওয়ামীলীগ সভাপতি, এছাড়াও রেকর্ড আছে জহিরের ভাই মোঃ ভূট্টো তৎকালীন সময়ে বিএনপির আমলে একাধিকবার কারাভোগ সহ অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ.জম নাসির ঘোষিত জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের পাঁচলাইশ থানা শাখার বিপ্লবী সাধরাণ সম্পাদক ও নগর ছাত্রলীগ নেতা নুরুল বশর বিপলুকে যে ফয়েজ আহমেদ এর সেকেন্ড ইন কমান্ড আখ্যায়িত করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, বিপলু পশ্চিম ষোলশহর এলাকার একটি স্বনামধন্য পরিবারের ছেলে, তিনি  সামাজিক উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত আছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

নুরুল বশর বিপলুর পারিবারিক ঐতিহ্যঃ
বিপলু প্রকৃতপক্ষে একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান, বিপলুর পিতা মৃত এম কালা মিয়া কন্ট্রাক্টর তৎকালীন সময়ে স্থানীয় হামজা খাঁ জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন, ছিলেন বড় বাড়ির সর্দারও, খ্যাতি আছে ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত একটানা ৭ বছর ছিলেন পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৯৬ তে এসে তিনি পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উপদেষ্টায় নিযুক্ত হোন। বিপলুর বড় ভাই মির্জা আহমেদ ছিলেন নগরীর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, তিনি তৎকালীন সময়ে বিএনপির সীমাহীন নির্যাতন জুলমে একাধিকবার কারাভোগসহ অনেক নির্যাতনের শিকার হন বলেও রেকর্ড আছে।

কিন্তু একজন প্রকৃত আওয়ামী পরিবারের সন্তান কিভাবে এত লাঞ্চনা বঞ্চনা ও হয়রানির শিকার হয় তা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে প্রশ্ন রেখেছে স্থানীয় সুশিল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা, তারা বলেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ও ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী ও বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে হবে, তারা সর্বাধিক চাই বর্তমান সরকারের অধপতন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ইকতিয়ার আহমেদ জহির ও নুরুল বশর বিপলু বলেন গমমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যমের প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান আছে, বিশ্বাস করি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনাকে, কিন্তু চট্টগ্রাম প্রতিদিন নামিয় অনলাইনে আমাদের নামে যে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ ছাপিয়েছ তা আমাদের এবং আমাদের পরিবারের অনেক বড় মান হানি হয়েছে, আমরা এর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু