চট্টগ্রামের চকবাজারে সামাজিকতার আড়ালে জুয়ার বোর্ড

চট্টগ্রাম অফিস ●
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

প্রশাসনের চলমান শুদ্ধি অভিযানে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার এলাকায় এখনো প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে অব্যহত রেখেছে জুয়ার আসর মদের আখড়া, গত ২২ই সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে উল্লেখিত এলাকায় প্রশাসন অভিযান চলালে জুয়ার বোর্ড পরিচালনাকারীরা সুকৌশলে পালিয়ে যান।

অভিযোগ আছে নগরীর চকবাজারের কাঁচা বাজার এলাকায় ‘জনতা ব্যাংক’ সংলগ্ন ভবনে অবস্থিত জালালাবাদ ক্লাবে নিজেদের সেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগ পরিচয় দিয়ে আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছেন তিন জন যুবলীগ পরিচয়দানকারী ব্যক্তি। তারা হলেন, নিজেকে চকবাজার যুবলীগের সভাপতি দাবী করা আকরাম হোসেন, সেচ্ছাসেবকলীগ দাবী করা দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ, যুবলীগ দাবী করা আইনুল ইসলাম। চকবাজার ও ডিসি রোড এলাকায় সাধারণ জণগনের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এই ক্যাসিনো ভিত্তিক জুয়ার আসর সর্বহারা হয়ে সংসার ধ্বংসের কথা শোনা যাচ্ছে অনেকের কাছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে উল্লেখিত বিষয়ে অভিযোগ দিলে বিপরীতে হতে হচ্ছে মাদকাসক্ত কিশোরদের হাতে নির্যাতন, বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিধি ভিত্তিক গড়ে তুলেছে একটি কিশোরগ্যাং যার নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন বর্তমানে সমাজসেবী পরিচয় দিয়ে দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ। গত পরশু যৌথ বাহিনী অভিযান এলে এলাকার মানুষের ভীড় জমে, কিন্তু রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলে ও প্রতিবারের ন্যায় সুকৌশলে স্থান ত্যাগ করে এই দেলোয়ার।বিভিন্ন সময় তার এই ক্যাডার বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসী আইনুল বিভিন্ন সময় অস্ত্র উঁচিয়ে মহড়া দেন।সাধারণত ডিস ব্যাবসা দিয়ে শুরু করলে বর্তমানে তারা রাঘব বোয়ালে পরিণত হয়েছেন। এদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু