দেশে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, প্রশাসনের প্রশ্রয়ে আওয়ামী লীগ এত বড় দল: ববি হাজ্জাজ

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

দেশে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, প্রশাসনের প্রশ্রয়ে আওয়ামী লীগ এত বড় দল: ববি হাজ্জাজ

মোহাম্মদ আবু তৈয়বঃ
চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, প্রশাসনের প্রশ্রয়ে ভোটচুরির সাহায্যেই আজ আওয়ামী লীগ এত বড় দল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ৷শুক্রবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে এক প্রতিবাদী আলোচনা সভায় ববি হাজ্জাজ এই মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দেশের খালে-বিলে বস্তায় বস্তায় টাকা পাওয়া যাচ্ছে৷ সংবিধানে গণিকাবৃত্তি আর জুয়া খেলা বন্ধে রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিবে উল্লেখ থাকলেও ক্যাসিনোর সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে যুবলীগ। আজকে সরকার কথিত শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছে কিন্তু হিসাব নিতে হবে এসব টাকার কুমীররা আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মসূচিতে কত টাকা দিয়েছে আর ভোট চুরি করতে এরা কর্মীদের কত টাকা দিয়েছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, প্রশাসনের প্রশ্রয়ে ভোটচুরির সাহায্যেই আজ আওয়ামী লীগ এত বড় দল হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাহাবা কুঁড়িয়েছিলেন আজ বুঝতে পারছেন তারা গলার কাঁটা হয়েছে। সেনাবাহিনীকে দূর্বল করে রেখেছেন বলেই আজ মিয়ানমারের কাছেও আমাদের নত হয়ে থাকতে হয়৷ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে চলছে নীরবে মুসলিম বিতারণ আর নিপীড়ন কর্মসূচি। মোদি সরকার কাশ্মিরকে ভূমিদস্যুদের মতো দখল করে নিয়েছে৷’ ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, ‘আসামে বিতর্কিত নাগরিকত্বের তালিকা হয়েছে৷ এখান থেকেও মুসলমানদের বাংলাদেশে পুশব্যাক করবে। কাশ্মিরের মুসলিমদের কান্না আমাদের নাড়া দেয়। আমরা তাদের ভাই। এই নির্যাতন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে গর্জে উঠার জন্যই আমাদের সীমান্ত অভিমুখে যাত্রা। ভারতকে বলছি, মুসলমানরা জেগে উঠলে পালাবার পথ পাবেন না।’ এনডিএম’র চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- দলটির দপ্তর সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, যুবনেতা সাইফুর রহমান সুমন, সাইফুল্লাহ মনির, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা জুয়েল প্রমুখ।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু