কক্সবাজার পাহাড়তলী লুৎফুর রহমান ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি থেকে দু‘বছরে কোটিপতি

রিপোটার পরিচিতি :
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়েছিল তার ড্রাইভার সহ দু‘জন
কক্সবাজার পাহাড়তলী লুৎফুর রহমান ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি থেকে দু‘বছরে কোটিপতি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীর লুৎফুর রহমান ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি থেকে ইয়াবার কল্যানে দ‘িবছরে কোটিপতি হওয়ার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। গাড়ী বাড়ী সহ বিভিন্ন নকল পন্যের কারখানা করে অবৈধ টাকার পাহাড় গড়েছে লুৎফুর। জানা যায়, গত দু‘তিন বছর আগে সামান্য ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রির কাজ করে কোন প্রকার সংসার চালাতো শহরের পাহাড়তলীর বউ বাজার এলাকার লুৎফুর রহমান। এলাকাবাসী জানান, গত তিন বছর আগে লুৎফুর রহমান ইলেক্ট্রিকের কাজ করতো। এ সময় কড়াকড়ি কম থাকায় টেকনাফের সাথে যোগাযোগ করে ইয়াবার চালান এনে খুচরা বিক্রি করতো। সাথে ছিল জনৈক ড্রাইভার। পরে ঐ ড্রাইভারের মাধ্যমে ইয়াবা এনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করতো। কিন্তু তার সেই ড্রাইভার সহ তার ভাগনে ইয়াবা সহ ধরা পড়ার পর কিছুদিন থমকে যায় এ ব্যবসায়। পরে কলাতালীর এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর সাথে যৌথভাবে আবার শুরু করে। আর এ সময়ের মধ্যে লুৎফুর তিন তলা ফাউন্ডেশনে বাড়ী, মরিচের গুড়ার মিল, ট্রাক, পিকআপ, সহ নানা প্রতিষ্টানের মালিক বনে যায়। গত এক বছরে সে নতুন ভাবে প্লাস্টিক বোতলের কারখানা, ব্যাটরীর পানি তৈরী, ও নকল জুস বানানোর কারখানা ও তৈরী করে। যার একটিরও কোন অনুমোদন নেই। তবে এর আড়ালেও সে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, লুৎফুর রহমান বলেন, ইয়াবা নিয়ে ড্রাইভার ধরা পড়ার পর তাকে বহিস্কার করি। আমি সব সময় মাদক বিরোধী ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আল্লার উপর ভরসা করে চলি। ব্যাটরীর পানি তৈরীর আমার নয়। আর একজনের লাইসেন্স নিয়ে তার কাজ করি। মুলতঃ কিছু লোক আমার ব্যবসায়ীক শত্রু এসমস্ত রটনা সাজিয়ে আমাকে সমাজ ও প্রশাসনের মাঝে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ