স্থানীয় সরকার পল্লী উঃ ও সঃ মন্ত্রীর মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির পরিদর্শন ও মত বিনিময়।

এবি পারভেজ, মহেশখালী ●
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আবুল বশর, মহেশখালী:
মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির পরিদর্শন ও স্থানীয় সরকারীকর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের সাথে মত বিনিময় করেন বাংলাদেশ সসরকারের স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর স্বপন ভট্টাচার্য্য এমপি। আদিনাম মন্দিরের গোপাল সাহা যাত্রী নিবাস মিলনায়তনে ১৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন মহেশখালী কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি। মহেশখালী কলেজ এর অধ্যাপক আশিষ কুমার চক্রবর্তী ও মহেশখালী পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক প্রনব কুমার দের পরিচালনায় অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান অালহাজ্ব মোহাম্মদ শরীফ বাদশা, মহেশখালী সহকারী কমিশনার ভূমি অংগজাই মারমা, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহেশখালী (সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এম আজিজুর রহমান বিএ, মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর, মহেশখালী সমবায় কর্মকর্তা গোলাম মাসুদ কুতুবী, উপজেলা প্রকৌশলী সবুদ কুমার দে, মহেশখালী পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি ব্রজ গোপাল ঘোষ, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছালেহ আহাম্মদ, মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার খগেন্দ্র লাল শীল, আবু জাফর ছিদ্দিকী, সিপিবি জেলা সভাপতি মাষ্টার দীলিপ কুমার দাশ, সনাতনী বিদ্যাপীঠ সংসদের সভাপতি উজ্জল ধর, যুবলীগ সভাপতি সাজেদুল করিম, মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ইনচার্জ আল আমিন। আদিনাথ মন্দির সংস্কার কমিটির সভাপতি শান্তি লাল নন্দী, মাষ্টার তপন কান্তি দে, বাশি রাম দে, রাজেস খান্না সুশিল, প্রনব দে, সনাতনী নেতা কমল কৃষ্ন ঘোষ, কাউন্সিলর সনজিত চক্রবর্তী, রতন কান্তি দে, মাষ্টার প্রনব কুমার দে সহ প্রমুখ। পরোহিত রাহুল ভট্টচার্য়্য স্বাগত বক্তব্য রাখেন।মতবিনিময় সভায় বক্তারা উপমহাদেশের সনাতনধর্মীয় তীর্থ স্থান আদিনাথ মন্দিরের নানান সমস্য নিরসনের জন্য প্রকল্প বরাদ্ধের দাবী জানান। মন্ত্রী স্বপন বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালীর মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে জয় বাংলা প্রতিষ্টা করে গেছেন। আর সেই জয় বাংলা মুছে ফেলতে জিয়া সরকার শত চেষ্টা করে ও তা বাঙ্গালীর মন থেকে মুছে ফেলতে পারেন নি। মহেশখালীর মুসলিম, হিন্দু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির সৌন্দর্য্য দেখে প্রশংসা করেন। মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, মৎস্যজীবিলীগ, পানচাষী সমিতি সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত ও জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ