নৌকার মাঝি থেকে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ, তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী নুরুল আবছার

চট্টগ্রাম অফিস ●
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ছিলেন নৌকার মাঝি, এখন কোটিপতি। নাম নুরুল আবছার। অভিযোগ অল্প সময়ে বিপুল অর্থের মালিক বনে যাওয়া চট্টগ্রামের পতেঙ্গার নুরুল আবছার একজন তালিকাভুক্ত মাদকব্যবসায়ী। পরিবার সদস্যদের বিরুদ্ধেও আছে একই অভিযোগ। মাদক মামলা দিলে উল্টো পুলিশের ছয় সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দেন আবছার।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকত এলাকা। পর্যটন এলাকা হওয়ায় সার্বক্ষণিক উপস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর। সন্ধ্যার পর মাদক সেবন ও বেচাকেনার পাশপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ে মাদকসেবীদের উম্মাদনাও। অভিযোগ রয়েছে এই এলাকার মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নুরুল আবছারের সিন্ডিকেটের হাতে। যার পরিচয় (তার ভাষ্যমতে) শিপিং ব্যবসায়ী ।

এলাকাবাসী জানান, সে এখানে নৌকা চালাতো। এখন সে ইয়াবা ব্যবসা করে রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। তবে, সে এখনও কিভাবে সবার সম্মুখে মাদক ব্যবসা করে এটাই প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রশ্ন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকায় ৮, পুলিশের তালিকায় ১১ এবং একটি গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় ১০ নম্বরে আবছারের নাম।  একই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আবছারের ভগ্নিপতি ইলিয়াস টেষ্টার, ভাই রফিক, ফারুখ কানু, শাহীনূর, শ্যালক জসিম ও ড্রাইভার রফিক। সবশেষ ২০১৮ সালে বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার হন আবছার।

সিএমপি উপ-কমিশনার (বন্দর) হামিদুল আলম জানান, ‘তিন-চারটি মামলায় তার বিরুদ্ধে চার্জশীট হয়েছে এবং আরেকটি মামলার চার্জশীট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হয়তো সে কোনও প্রয়োজনীয় সুবিধা চেয়েছিল, যেটা পুলিশ দিতে পারেনি। এর প্রেক্ষিতে সে ক্ষুব্ধ হয়ে মামলা করেছে।’

পরে, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়ার অভিযোগ এনে পুলিশের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন আবছার।

ফোনে কথা বলা হলে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী নুরুল আবছার জানান, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকায় শুধু আট নম্বর না, এক নম্বর হলেও আমার কিছু যায় আসে না। এটা যেহেতু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মামলা তাই প্রশাসনের ওপর আঘাত পড়েছে।’

মাদকবিরোধী অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ করতেই আবছার উল্টো মামলার কৌশল নিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। পাঁচলাইশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, ‘এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে, সে অভিযানকে স্তব্ধ করা যাবে না। আমরা অবশ্যই তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সঠিক কাজটি করেছি।’

এদিকে, মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকায় আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয় আবছারকে।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু