চলাচলের রাস্তা না থাকায় ধান ক্ষেতের উপর দিয়ে লাশবাহী খাঁট।

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার ●
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯

কক্সবাজার জেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পুটির জিরির উত্তরকুল নামক এলাকায় চলাচলের রাস্তা না থাকায় ধান ক্ষেতের উপর দিয়ে লাশবাহী খাটঁ বহন করে নিয়ে যেতে হচ্ছে যেন দেখার কেউ নাই। অভিযোগ উঠেছে পুটির জিরির ব্রীজ হইতে মাইজপাড়া পযর্ন্ত আগে চলাচলের জন্য রাস্তা ছিল কিন্তু স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষীরা চলাচলের এই রাস্তা কেটেঁ ধানক্ষেতের চাষী জমিতে পরিনত করেছে। এই এলাকায় প্রায় ১ হাজার জনবসতি লোকের বসবাস। বসবাসরত স্থানীয়রা অমানবিক ভাবে জীবনযাপন করে আসচ্ছে দীর্ঘদিন যাবৎ।

মৃত্যুবাহী লাশ, ঝুকিঁপূর্ন রোগী, বিবাহ অনুষ্ঠান সহ গুরুত্বপূর্ন কোন কাজই যথাযথভাবে করতে পারেনা না এলাকার বাসিন্দারা, স্থানীয়দের অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নজর না থাকায় সড়কটির এমন বেহাল দশা, ভোক্তভূগী একজন স্থানীয় বলেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা থেকে ও না থাকার সামান, তারা নির্বাচন আসলে লোভনীয় প্রলোভন দিয়ে মুল্যবান ভোট আদায় করে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারে বসে সব ভুলে যাই সুযোগ পেলে অত্যাচার নির্যাতনের ষ্টীম রুলার চালায়।

২৩ ই আগস্ট দিবাগত রাত অনুমান ৪টার দিকে মৃতু বরণ করেন পুটিরজিরি উত্তরকুল এলাকার মৃত শাহাব মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ বকসু তাকে কবরস্থানে দাফনের জন্য গতকাল ২৪ই আগস্ট বিকাল ২টার সময় আনা হয়েছে ধানক্ষেতের উপর দিয়ে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চলাচলের কোন রাস্তা না থাকায় লাশবাহী খাটিঁয়াটি বহন করে আনা হয়েছে ধানক্ষেতের উপর দিয়ে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সিরাজুল মোস্তফা সিকদার জানান, পুর্বে এখানে খুব সুন্দর একটি রাস্তা ছিল, বর্তমানে কিছু অযোগ্য ও অদক্ষ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ায় সমাজের স্বার্থান্বেষীরা রাস্তা বিলীন করে ধানের ক্ষেত করেছে, পুর্বের রাস্তাটি উদ্ধার করে বসবাসরত প্রায় ১হাজার জনগনের চলাচলের সুযোগ সুবিধা করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় আরেক সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম জানান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্ব-ইচ্ছা না থাকায় পুটিরজিরির এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দারা এতকষ্ট পাচ্ছে একটা লাশবাহী খাটঁ ধানক্ষেতের উপর দিয়ে নেওয়া মানে এটার চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারেনা।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ