বেঁড়িবাধ ভেঙে যাওয়ায় সাগরে পানিতে তলিয়ে গেছে মহেশখালীর মাতারবাড়ীর ঘর-বাড়ি

এ,এম হোবাইব সজীব, প্রতিবেদক ●
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯

এ.এম হোবাইব সজীব,মহেশখালীঃ
মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইরারডেল এলাকার নয়া পাড়াস্থ বেড়িবাঁধের ভাঙ্গন দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকায় কয়েকটি বসত ঘর ও গোয়াল ঘর ভেসে গেছে। ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে ঐ এলাকার একটি মসজিদসহ শতাধিক বাড়ী ঘর। গেল রমজানের ঈদের পর পর ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ঐ স্থানে জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার কথা থাকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ তা রহস্যজনক কারণে বন্ধ করে দেয়ায় ঐ ভাঙ্গনের এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে সাইটপাড়ার বাসিন্দারা জানিয়েছেন।
তা দেখে মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ বাকরুদ্ব হয়ে পড়েছে। চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্লাহ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের তার টাইম লাইনে এক আবেকঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি লিখেছেন, জেলা প্রশাসক মহোদ্বয়, কক্সবাজার। মাতারবাড়ীবাসী বঙ্গোপ সাগরের আক্রমন আর কত সহ্য করবেন, তার করাল গ্রাসে বারে বারে সীমা লংঘিত হচ্ছে। আপনাকে কত লিখব, আর বলব।জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কি ঘাস খাচ্ছেন?লক্ষাধিক মানুষের জীবন নিয়ে এভাবে চিনি মিনি খেলার লক্ষনতো ভাল না। এমনি মৌখিক ভাবে বলে দিলেই তো হয়। আমরা চলে যাবো।
অপরদিকে নিম্মচাপের প্রভাবে ২/৩ দিন স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট পানি বেড়ে যায়। তার সঙ্গে বাড়ে বাতাসের গতিবেগ। মানুষের বুকফাটা আহাজারি দেখলে বুক ফেটে যায়। ফলে সাইটপাড়া বেড়িবাঁধ নতুন করে ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। ভেঙে গেছে অনেক ঘরবাড়ি। উত্তর রাজঘাটের বেঁড়িবাধ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এখন পশ্চিম ষাইট পাড়ার ভাঙা বাঁধ জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার না করলে পুরো এলাকা সাগরে তলিয়ে যাবে। মাতারবাড়ীকে রক্ষা করা যাবেনা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের ষাইটপাড়া বেড়িবাঁধ অর্ধেক বিলীন হয়ে গেছে। ভেঙে গেছে অনেক ঘরবাড়ি। পড়ে গেছে অনেক গাছপালা। বাকি বেড়িবাঁধে বসানো বালুভর্তি জিও টিউব থাকায় তা মোটামুঠি অক্ষত রয়েছে। স্থানিয়রা জানিয়েছেন,ব্লক দিয়ে বেড়িবাঁধ সংস্কার না করার কারণে বার বার ক্ষতির সম্মুখীন হয় উপকূলের এ ইউনিয়ন। ভাঙা বেঁড়িবাধের কারনে বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকির মধ্যে আছে ২৫ টি গ্রামের অনন্ত ৮০ হাজার মানুষ। মাতারবাড়ীর চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড আর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত কর্তারা মুখে আস্বাস দিয়ে আসছে শুধু। পানি নিস্কাশনের সকল সুইচ গেইট কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দিয়ে প্রতি বর্ষা মৌসুমে ডুবিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ করছে মাতারবাড়ীবাসীকে। এ ছাড়া মাতারবাড়ীর পশ্চিমে সাগর চ্যানেল থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন করায় পশ্চিমের দীর্ঘতম চরটি বিলিন হয়ে যাওয়ায় সাগরের প্রবল ডেউ সরাসরি আঘাত হানছে বেড়িবাঁধের উপর। যার ফলে বেড়িবাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাদা মাটি, বালি ও ময়লা আর্বজনা গভীরতম কোহেলিয়া নদীতে পড়ায় নৌযান চলাচল করতে বিঘ্ন ঘঠছে। কোহেলিয়া নদী মাতারবাড়ীর ভূমিপৃষ্ট থেকে উচু হওয়ায় বৃষ্টির পানি ও বাড়ী ঘরের ব্যবহারের বর্জ্য কোহেলিয়া নদীতে পড়তে না পারায় পুরো বর্ষায় রাস্তা- ঘাট ভরপুর হয়ে যায়। এ অবস্থা চলছে গত ৩ বছর ধরে। দ্বিতীয় টুঙ্গি পাড়া নামে খ্যাত মাতারবাড়ীর এসব দৃর্শ্য সরে জমিনে দেখার জন্য অত্র এলাকার নারী পুরুষদের পক্ষ থেকে সরাসরি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ।পানি উন্নয়ন বোর্ডের কক্সবাজারের নিবার্হী প্রকৌশলী তনয় কুমার ত্রিপুরা বলেন, মাতারবাড়ী ষাইটপাড়া ভাঙা বেড়িবাঁধ জোয়ারের পানি ঠেকাতে ৭০০ মিটার জিও টিউব দেওয়া হয়েছে। স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ নিমার্ণ করা হবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়ানে বর্ষা শেষে।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু