মহেশখালীতে প্রাচীন জামে মসজিদ মাদ্রাসার কমিটি গঠিত

এবি পারভেজ, মহেশখালী ●
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯

এবি পারভেজ, মহেশখালী প্রতিনিধিঃ
মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের নবনির্মিত দৃষ্টি নন্দন ও ঐতিহ্যবাহী খোন্দকার পাড়া জামে মজসিদের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদ ও তৎসংলগ্ন হাফেজিয়া এতিমখানা, নূরানী ও এবতেদায়ী (সমন্বিত) মাদ্রাসার ১৭ সদস্য বিশিষ্ট পৃথক পৃথক দু’টি পরিচালনা কমিটি ঘোষণা করা হয়। মসজিদ উপস্থিত মুসল্লি ও নব নির্মিত মসজিদের প্রধান রূপকার এবং প্রতিষ্ঠান গুলির প্রধান উপদেষ্টা, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট,চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্ডাল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.কাজী দিন মোহাম্মদ ও কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানীত চেয়ারম্যান  আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন খোকন’র উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষিত হয়েছে। ঘোষিত কমিটি প্রাথমিকভাবে আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন। সদ্য বিদায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও উপস্থিত সকল মুসল্লিদের সর্বসম্মতিক্রমে খোন্দকার পাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটিতে কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন খোকন কে সভাপতি ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ মহেশখালীর এম.আর  গোলাম মওলাকে সাধারণ সম্পাদক ও ছৈয়দুল কাদের কে অর্থ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। পাশাপাশি খোন্দকার পাড়া হাফেজিয়া এতিমখানা, নূরানী ও এবতেদায়ী (সমন্বিত) মাদ্রাসায়, কক্সবাজার মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কে এম রমজান আলী কে সভাপতি এবং কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও কক্সবাজার জেলা বাপসার সাংগঠনিক সম্পাদক  এম. নুরুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক এবং জনাব সরওয়ার কামাল কে অর্থ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। কমিটির অন্যান্য সম্মানীত সদস্যবৃন্দ( মসজিদ) মমতাজুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), খাইরুল্লাহ(সহ-সম্পাদক) সৈয়দুল কাদের( অর্থসম্পাদক), সদস্য যথাক্রমে নুরুল কবির এক্স মেম্বার,জনাব জসিম উদ্দিন,মোজাম্মেল হক,ডাঃ খোরশেদ আলম, হাশেম উদ্দিন আইনজীবি সহকারী, সরওয়ার কামাল, আব্দুস সোবহান সওদাগর, নুরুল ইসলাম মেস্ত্রী,নুরুচ্ছফা, সলিম উল্লাহ, আব্দুস সোবহান,আব্দুল হামিদ প্রমুখ। মাদ্রাসা কমিটির সম্মানীত সদস্যবৃন্দ  শহিদুল ইসলাম(সহ-সভাপতি), ইদ্রিস( সহ-সম্পাদক), সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে  রাহমত উল্লাহ (ইউপি সদস্য),সাজ্জাদ বোরহান উদ্দিন, ডাঃ নেচার আহমদ,হাজী মুহিব উল্লাহ, মৌঃ সাইফুল্লাহ( শিঃপ্রঃ), মোঃ শাহ আলম,সোলতান আহমদ, আজিজুল করিম, ছাবের আহমদ, মকসুদুর রহমান, আনচার উদ্দিন,আব্দুস সামাদ, শাহেদ খান, শহিদুল্লাহ প্রমুখ। কমিটির সদস্যবৃন্দ  এই গুরু দায়িত্বপালনে সম্মানীত এলাকাবাসী সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু