সনাক ও টিআইবি’র উদ্যোগে তথ্য অধিকার সপ্তাহ পালন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৯

দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি’র সহায়তায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), খাগড়াছড়ির উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী তথ্য অধিকার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ২৪ জুলাই সকাল সাড়ে দশটায় সনাকের খাগড়াছড়ির কার্যালয়ে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে ‘তথ্য অধিকার আইন,২০০৯’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সনাক সভাপতি প্রফেসর বোধিসত্ত্ব দেওয়ান এর সভাপতিত্বে এবং টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার সুইমংচিং মারমার পরিচালনায় ওরিয়েন্টেশনে উপস্থিত ছিলেন, সনাক সদস্য অংসুই মারমা ও বিধান রায় বিশ^াস। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক মূল সেশন পরিচালনা করেন, টিআইবি’র চট্টগ্রাম ক্লাস্টারের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ জসিম উদ্দিন। ওরিয়েন্টেশন শেষে অংশগ্রহনকারীবৃন্দ দুর্নীতি না করার শপথে অংশ নেয়।

এসময় অংশ গ্রহণকারি নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে সনাক সভাপতি প্রফেসর বোধিসত্ত্ব দেওয়ান বলেন, সরকার ২০০৯সালে মহান জাতীয় সংসদে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ পাশ করেছে, এ আইন কার্যকর হলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের উচিত তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে ধারণা লাভ করে এটি প্রয়োগ করা। তিনি বলেন, যার কাছে যত বেশী তথ্য আছে সে তত বেশী ধনী, তাই সকলকে তথ্য সমৃদ্ধ হতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে মহস্ত ক্লাব এর সদস্য ম্যামাচিং মারমা বলেন, আমাদের দেশে তথ্য অধিকার আইন নামে একটি আইন হয়েছে সেটি প্রথম জানলাম, এ আইন প্রয়োগ করে আমরা সরকারি দপ্তরগুলোর কাছ থেকে সহজে তথ্য পেতে পারি।

দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি’র সহায়তায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), খাগড়াছড়ির উদ্যোগে তথ্য অধিকার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে গত ২১ জুলাই খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলা পরিষদের সামনে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইন এবং ২২ জুলাই খাগড়াছড়ি সরকারী কলেজে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন ও তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ