দেবীদ্বার চরবাকর উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা সংঘের রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৯

“দুর্নীতিকে না বলি-শিক্ষার আলোয় দেশ গড়ি” এই শ্লোগান কে সামনে রেখে কুমিল্লার দেবীদ্বারে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দেবীদ্বার উপজেলা কমিটির অর্থায়নে বৃহস্পতিবার সকালে চরবাকর উচ্চ বিদ্যালয়ে রচনা, নাটক, অভিনয় ও বিতর্ক প্রতিযোগীতার বিতরণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বক্তারা বলেন-শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, মেরুদন্ডহীন প্রাণী যেমন সোজা হয়ে স্থীর হতে পারে না তদ্রুপ শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতী মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে সোজা হয়ে দাড়াতে পারে না।দেশ ও জাতীর উন্নয়নের হাতির হলো শিক্ষা,বাংলাদেশ কে আরো উন্নয়শীল করতে হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল প্রক্রিয়া এগিয়ে আসতে হবে।
ওই পুস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান উপজেলার চরবাকর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দেবীদ্বার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম আলী জিন্নাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দেবীদ্বার উপজেলা কমিটির সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ মাষ্টার, দেবীদ্বার প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ ফখরুল ইসলাম সাগর প্রমুখ।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ