প্রিয়া সাহা’র মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানব বন্ধন

দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯

দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলোমিথ্যাচারীর বিচার কর” আজ রবিবার সকাল সাড়ে নয় টায় কুমিল্লা দেবীদ্বারে কুমিল্লা টু সিলেট মহাসড়কের পাশে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের সামনে সাম্যের অধিকার সকল ধর্মে,দেশদ্রোহী প্রিয়া সাহা’র মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা আয়োজন করেন দেবীদ্বার উপজেলা জাতীয় সাংবাদিক কল্যান ফাউন্ডেশন ও ঢাকা মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা।ওই সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ঢাকা মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ডাঃ জিএম মাখছুদুর রহমান, কুমিল্লা জেলার কমিউনস্ট পার্টির সভাপতি সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, কুমিল্লা জেলা জাতীয় সাংবাদিক কল্যান ফাউন্ডেশন আহবায়ক ও ঢাকা মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা সভাপতি সাংবাদিক, এ আর আহমেদ হোসাইন, উপজেলা মানবাধিকার সাংবাধিক সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি রুহুল আমিন হাজারী, সাধারন সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ সফিউল্লাহ, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ বিল্লাল হোসেন,অর্থ সম্পাদক মোঃ সোহেল মোল্লা, সমাজ কল্যান সম্পাদক মোঃ নওশাদ,আশিকুর রহমান সহ অন্যান্য পেশাজীবি সাধারন জনগন ওই মানব বন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।

মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা শ্লোগান তুলে ধরে বলেন ” দেশপ্রেম জাগিয়ে তোল, মিথ্যাচারীর বিচার কর” দেশ প্রেমিকরা জাগিয়ে ওঠো, দেশদ্রোহীতার বিচার কর ” বক্তারা আরও বলেন গত ১৬ই জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, এমন কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলেন। এতে প্রিয়া সাহা ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেন, স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। আর এখানকার ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান গুম হয়ে গেছে। দয়া করে আমাদের, বাংলাদেশের জনগণকে সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। ওই আলোচনার পর
সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকে ও মিডিয়ায় ভাইরাল হলে তা সর্বত্র ছড়িয়ে পরে।
প্রতিবাদ সভায় সংগঠনের সভাপতি বলেন- আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক লাখো শহীদের রক্তের বিনীময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছে। আমার দেশে সকল ধর্মের সকল মানুষের সমান অধিকার। আমরা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিম সবাই ভাই-ভাই, একে অপরের পরিপূরক। সবাই মিলে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করবো।জানিনা কোন উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে প্রিয়া সাহা এমন আলোচনা করেন যা দেশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়ে দেশদ্রোহীতায় পরিনত হয়েছে। সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে এর রহসৎ উদঘাটন করে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠ বিচারের দাবী জানান ওই সংগঠন

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ