পুলিশ কনস্টেবলের বিলাসিতা দুদকের দৃষ্টি আকর্ষন এলাকাবাসীর

হাটহাজারী প্রতিনিধি ●
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলা হাটহাজারী মডেল থানার কনস্টেবলে আরিফের বিভিন্ন ভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগে পাওয়া যায় কনস্টেবল আরিফ অনেকের বিরুদ্ধে সুনিদির্ষ্ট অভিযোগ না থাকলেও বিভিন্ন নাশকতার সৃষ্টিসহ নানা অভিযোগ দেখিয়ে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে এবং হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

জানা যায় গ্রেফতার বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ অবৈধভাবে আয় করতে পুলিশ বাহিনীরা বিভিন্ন স্তরের শতাধিক সদস্য।কনস্টেবল থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার পযন্ত ওই টাকা ভাগ বাটোয়ার হয়।এই রকমের সব চেয়ে বেশি অভিযোগ রইছে হাটহাজারী মডেল থানার কনস্টেবল মো.আরিফের নামে বিভিন্ন কয়দায় হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক অনেক টাকা যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

গুপোন সংবাদের বিত্তিতে জানা যায়,কনস্টেবল আরিফ পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনেক টাকা বানিয়েছেন গড়ে তুলেছেন টাকার পাহাড়।চার পাঁচটা সি এন জি বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় দালান ও বেশ কিছু জমি জমা করে রেখেছেন সেই সাথে অন্যের নামে ব্যাংকে একাউন্টে জমিয়ে রেখেছেন কোটি কোটি টাকা।

শুধু তাই নয় রইয়েছে তার নামে বিয়ে করার পর ও বিভিন্ন মেয়েদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে রেখেছেন তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মেয়েদের সাথে অবৈদ সম্পর্ক করেন বলে জানা যায়।এবং সেই সাথে বিভিন্ন মানুষকে টাকা দিয়ে মেলা অংকের সুদ নেন তিনি।হাটহাজারী সচেতন মহলের নাগরিকদের অভিযোগ কনস্টেবল মো.আরিফের বিরুদ্ধে যেন নজর দেয় এত টাকা কোথা থেকে আসে কোথায় তার আয়ের উৎস একটু সুদৃষ্টি দিয়ে দেখার জন্য এবং তার বিরুদ্ধে যেন তদন্ত করা হয় এটায় দাবি হাটহাজারী বাসীর।

একজন কনস্টেবল হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গড়েছেন টাকার পাহাড়,সেই সাথে অবৈধ মেলামেশা মেয়েদের সাথে কি করে সম্ভব একজন পুলিশ হয়ে।কনস্টেবল আরিফ কি করে হটাৎ এত টাকার মালিক হলেন কোথায় তার এত আয়ের উৎস কি করে রাতারাতি টাকার পাহাড় গড়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন সাধারন জনগনের।একজন পুলিশ হয়ে যদি অবৈধ কাজ করে তাহলে সাধারন জনতা কয় জাবে কার কাছে গিয়ে আশ্রয় নিবে সে প্রশ্ন অনেকেরই।

বর্তমান সরকার গোয়েন্দা রিপোর্টে সারা দেশে একশর ও বেশি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ কারা হয়েছে তবে এখন পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
সাধারন জনগন মনে করেন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত পুলিশ বাহিনী নিজেরাই করলে সেই তদন্তের পরিণতি নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ