সাংবাদিকরা যখন লাঞ্চনীয় বঞ্চনীয়

সময় বাংলা সম্পাদকীয় ●
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯

লেখক, ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ

আমি কোন মহাপুরুষ নয় যে আত্বজীবনী লিখবো, যশস্বী বা কৃতি পুরুষের মত স্মৃতি কথা লিখার অধিকার আমার নেই, তবুও জীবন পথ চলতে চলতে অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু শিখেছি, আবার অনেক কিছু উপলদ্ধিও করেছি, ছোটবেলায় ষোলশহর রেল ষ্টেশনের আশেপাশে পেটমোটা কনস্টেবলকে দেখেই ঘাবড়ে যেতাম কৈশোর বেলা পেরিয়ে যৌবনে পা দিতে না দিতেই খবরেরকাগজে রিপোর্টার হলাম, আজ তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই লেখার প্রয়াস, লিখবো নি-স্বার্থভাবে বিবেকের তাড়নায় রাষ্ট্রের স্বার্থে নিজেদের ক্ষয় করার গল্প।

 

সাংবাদিকতা পেশাকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ পেশা বলা হয়ে থাকে, আর সাংবাদিকদের সমাজের দর্পন বলা হয়, কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন আদৌ আমরা সেই চতুর্থ স্তম্ভের সরকার প্রদত্ত স্বীকৃতি পাওয়া যোগ্যতা রাখি কিনা? গনমাধ্যমকর্মীদের কার্যপনালী গুলো কি একবারও গভীরভাবে পর্যালোচনা করে দেখেছেন? দেখেননি, দেখার প্রয়োজনও করেন না কেউ।

 

কিন্তু একটু ভেবে দেখুন তো অগ্নিকাণ্ডের মত ভয়াবহ ঘটনা থেকে যখন সবাই নিজেকে সুরক্ষা করার জন্য ১০০ ফিট দুরে সরে যায় তখন সংবাদকর্মীরা দাউদাউ করে জ্বলা আগুনের দিকে নিজেকে ঠেলে দেই আর উত্তপ্ত আগুনের পাশে দাড়িয়ে লাইভ করে, বন্দুকযুদ্ধ, মারামারি হানাহানি, অথবা হরতালের মত ঘটনায় গুলাগুলি কিংবা বোমা হামলায় বিস্ফোরণের ভয়ে যখন সবাই নিজেকে সুরক্ষা করার জন্য নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেই তখন সংবাদকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই গুলাগুলি অথবা বোমা বিস্ফোরনের মাঝখানে দাড়িয়ে ফটোস্যুট কিংবা লাইভ করতে ব্যস্ত, রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিবর্গের মৃত্যুর জানাযায় যখন সবাই সারিবদ্ধ হয়ে নামাজের প্রস্তুতি নেই তখন সংবাদকর্মীরা সেই দৃশ্য সবাইকে দেখানোর জন্য লাইভ করতে ব্যস্ত, কালবৈশাখী ঝড় কিংবা মোরা, ফনির মত ভয়াবহ ঘুর্নিঝড়ের সময় যখন ১২০ কি.মি বেগে ধমকা হওয়া ছুঁড়ে তখন এই ছ্যাঁচোড় সাংবাদিকরা রেকর্ড পরিমাম বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে বলে সর্বশেষ খবর জানাতে আমি এই মুহুর্তে দাড়িয়ে আছি মোংলা পায়রা বন্দরে, কিসের জন্য এতকিছু করা? কিসের বিনিময়ে উত্তপ্ত আগুনের পাশে দাড়িয়ে লাইভ কিংবা গুলাগুলি, মারামারি, হানাহানি, অথবা বোমা বিস্ফোরনের মাঝে গিয়ে ফটোস্যুট করা? কিছুই পায়না বললে পুরোটায় মিত্যে হবে, কারন আমরা গনমাধ্যমকর্মী বা সংবাদকর্মীরা সবকিছুর বিনিময়ে নির্যাতন, নিপীড়ন, লাঞ্চনা, বঞ্চনা কি কম পেয়ে থাকি? তাহলে অনর্থক মিত্যে বলবো কেন!

 

আমি একজন ক্ষুদ্র গনমাধ্যমকর্মী হয়ে খুবই বিস্মিত হয়, আমরা সংবাদকর্মীরা যখন নিজের জীবন বাজি রেখে উপরোল্লিখিত কার্যপনালীগুলো সম্পন্ন করি তার বিনিময় হিসেবে লাঞ্চনা বঞ্চনা, নির্যাতন, নিপীড়ন ছাড়া আর কি বা পায়? আজ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কিংবা বাংলাদেশ তৃনমূল সাংবাদিক কল্যান সোসাইটি অথবা অনলাইন প্রেস ইউনিটির মত সাংবাদিক সংগঠনগুলো ১৮ দপা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আওয়াজ তুলতে তুলতে গলা ফাটিয়ে ফেলছে তবুও যে রাষ্ট্রের স্বার্থে এতকিছু করা সেই রাষ্ট্র ঘুমের ধ্যান করে আছে, যেন কিছুই শুনছেনা তারা।

 

জানিনা আজকের এই লেখাটি মাদার অফ হিউমিনিটি বিশ্ব মানবতাময়ী নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত পৌছাবে কিনা, যদি পৌছাই তাহলে প্রিয় নেত্রী আপনাকে বিশ্বের ২য় উন্নয়নশীল দেশের সালাম জানিয়ে বলতে চাই দয়াকরে আমাদের ১৮দপা যৌক্তিত দাবিগুলো মেনে নিয়ে দেশের চতুর্থ স্তম্ভ পেশা সাংবাদিকতাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন।

 

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ।

সাংগঠনিক সম্পাদক

অনলাইন প্রেস ইউনিটি চট্টগ্রাম মহানগর।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু