তামিমের ফেসবুক পেজ উধাও

সময় বাংলা ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০১৯

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে রোহিত শর্মা যখন ৯ রানে ব্যাট করছিলেন তখন তার ক্যাচ মিস করেছিলেন তামিম ইকবাল। সেই রোহিত পরে তুলে নেন সেঞ্চুরি। তামিমের ভুলের মাশুল দিতে হয় বোলারদের। আগে ব্যাট করা ভারত তোলে ৩১৪ রান। নিজের ভুল শোধরানোর সুযোগ থাকলেও ব্যাট হাতে তার সদ্ব্যবহার করতে পারেননি তিনি। ৩১ বল খেলে করেন মাত্র ২২ রান। বাংলাদেশও হেরে যায় ২৮ রানে। তার থেকে বড় বিষয় হল- সেমিফাইনালের দৌড় থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।

রোহিতের ক্যাচ ছাড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণের শিকার হচ্ছিলেন তামিম ইকবাল। নিজেদের টাইমলাইনের পাশাপাশি তামিমের ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারেও বাজে মন্তব্য করতে দেখা যায়।

বাদ যায়নি দেশসেরা এ ব্যাটসম্যানের পরিবারও। তামিমের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা তার ছেলে আরহাম ইকবালের ভিডিওতেও বাজে মন্তব্য করতে দেখা গেছে অনেককে।

এতকিছুর মধ্যে এবার তামিমের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজটিই আর পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে ফেসবুকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন তামিমের পেজটি রিপোর্ট করে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অনেকেই লিখলেন প্রচণ্ড বাজে মন্তব্য আশায় পেজটি আপাতত বন্ধ রাখা হতে পারে।

তামিমের পারফরম্যান্স নিয়ে এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস। কোচের দাবি চেষ্টা করেও নিজের সেরাটা দিতে পারেননি তামিম। রোডস বলেন, ‘আমি বলব, তামিমের পারফরম্যান্সে আন্তরিকতা ছিল। নিজের সেরা চেষ্টাটা করেছে।
ক্যাচ মিস ক্রিকেটেরেই অংশ। যদিও বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ফিল্ডার হিসেবে তামিম নিজেকে আগেই প্রমাণ করেছেন। আর ব্যাটসম্যান তামিম তো টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটে সবচেয়ে সেরা।

যদিও বাংলাদেশ কোচ রোডস ও অধিনায়ক মাশরাফি দুই জনই মনে করেন- আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের হয়ে খেলার সামর্থ্য রয়েছে তামিমের। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। তবে ২০২৩ সালের ভারত বিশ্বকাপে ঠিকই জ্বলে উঠবেন বাংলাদেশের অনত্যম সেরা এই ক্রিকেটার।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ