হাসপাতাল পরিচালকের অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল।

কুমিল্লা প্রতিনিধি ●
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার পৌর সদরে অবস্থিত নাঙ্গলকোট আলট্রা মর্ডান হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও শেয়াহোল্ডার আব্দুল কুদ্দুস ভুঁইয়ার লালসার শিকার হওয়া কয়েক নারীর অন্তরঙ্গ ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

 

ছবিতে দেখে যাচ্ছে, হাসপাতালের একটি কক্ষে কয়েকজন নারীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় চেয়ারে বসে আছেন আর সে দৃশ্য সামনে কেউ একজন ক্যামেরাবন্দী করেছে।

জানা যায়, আব্দুল কুদ্দুস ভুঁইয়া নাঙ্গলকোট আলট্রা মর্ডান হাসপাতালে দীর্ঘ ৩ বছর যাবত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় সালিশদার হিসাবেও পরিচিত। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নানাভাবে তিনি নারীদের জিম্মি করে রাখেন। তার এসব অপকর্ম সমাজের সামনে উঠে আসার পর হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে পরিচালক পদ থেকে অব্যহতি দিয়ে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্তমান কর্তৃপক্ষ। তবে খুব শীঘ্রই তাকে সদস্য পদ থেকেও অব্যহতি দেয়া হবে।

এব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস ভুঁইয়া বলেন,সম্মান নষ্ট করার জন্য দুষ্টুমি করে তোলা এসব ছবি কিছু অসাধু মহল ভাইরাল করেছে। কোন নারী কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত নয় বলেও দাবি করেন আব্দুল কুদ্দুস ভুঁইয়া।

আলট্রা মর্ডান হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক হূমায়ুন কবীর জানান, আব্দুল কুদ্দুস ভুঁইয়ার নারী ঘটিত এসব কুকর্মের পর্দা ফাঁস হওয়ার পর তাকে সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে হাসপাতালের পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। তবে কারো ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিবে না। হাসপাতালের কল্যাণে অচিরেই আব্দুল কুদ্দুসকে হাসপাতালের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ

কক্সবাজারসহ ৪ টি জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের ১১৯ টি পদ সংরক্ষনের নির্দেশ প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুইটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিটের শুনানি শেষে আদালত এই ১১৯ টি হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ (ছয়) মাসের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯ টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদ গুলো সংরক্ষিত থাকবে। রিট আবেদনকারিগণ হলেন কক্সবাজার জেলার-আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মোঃ মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষিরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মোঃ শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার- মজিবুল হক, মোঃ মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন।তারা বিভিন্ন ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত আছেন।

ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে সহকারী কাম-কম্পিউটারদের ১১৯ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ