উন্নয়নে বাংলাদেশ এর আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন রোকেয়া বেগম।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০১৯

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল উন্নয়ন নিয়ে নির্মিত উন্নয়নে বাংলাদেশ শীর্ষক অনুষ্ঠানের ১০৩ নং সম্মানীত আইন বিষয়ক উপদেষ্টা
হলেন।রোকেয়া বেগম জেলা জজ (অব:)
আইন বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটিl সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইডেন কলেজ ছাত্রলীগlএ বিষয়ে উন্নয়নে বাংলাদেশ শীর্ষক অনুষ্ঠানের পরিচালক মৃধা বেলাল জানান রোকেয়া বেগম একজন সৎ,নীতিবান ও মানব দরদী_যিনি শিক্ষা জিবন থেকে চাকুরী জিবন পর্যন্ত লালন করেছেন_বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শ।
এমন একজন আদর্শীক নেত্রীকে আমার উন্নয়নে বাংলাদেশ শীর্ষক অনুষ্ঠানের পাশে পেয়ে আমি আনন্দিত।উন্নয়নে বাংলাদেশ পরিবারের পক্ষ থেকে রোকেয়া বেগম কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
এ বিষয়ে বেগম রোকেয়া জানান_বাংলাদেশ সরকারের সকল উন্নয়ন নিয়ে পথ চলা উন্নয়নে বাংলাদেশ শীর্ষক অনুষ্ঠানের পাশে থাকতে পেরে আমিও গর্বিত_আমি “উন্নয়নে বাংলাদেশ”কে সব সময়_সেচ্ছায় আইনি পরামর্শ গুলো দিয়ে যাবো।রোকেয়া বেগম আরো জানান_তার আগামী রাজনৈতিক পথ চলা নিয়ে।অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করতে সংসদ সদস্য হতে চাই,
বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটি আইন বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া বেগম। তিনি ঢাকা জেলা (ঢাকা মহানগর উওর) এলাকায় সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রাথী।

রোকেয়া বেগম বলেন, আমি গাজী গোলাম দস্তগীর (বীরপ্রতীক) এম.পি এর অধীনে ক্র্যাক প্ল্যাটুনের সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন। ছোট বেলা থেকেই রাজনীতির সাথে জরিত ছিলাম। ঢাকা ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক তারপর বিচার বিভাগ সরকারী চাকুরীতে যোগদান, দীর্ঘ সময় জেলা-জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। এরই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছি।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের কারনে নির্যাতনের শিকার হই আমি। গাজীপুরে চাকুরিরত অবস্থায় উর্ধতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নির্যাতিত হই । মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এম.পি ও সাবেক মেয়র এ্যাডঃ আজমত উল্লা খান আমার পাশে থেকে সহায়তা করেন। নারায়ণগঞ্জ তৈমুর আলম খন্দকার কর্তৃক নির্যাতিত হই। মাননীয় এমপি মির্জা আজম কে নৈতিকভাবে আইনি সহায়তা দেওয়ায় উর্ধতন কর্মকর্তা কর্তৃক নির্যাতিত হই।

রোকেয়া বেগম আরও বলেন, আমি বিচার বিভাগের উচ্চপদে চাকুরি করেছি।বিচার বিভাগ থেকে কোন পুরুষ বা মহিলা রাজনীতির আসেননি। বুঝ-জ্ঞেন হওয়ার পর থেকে ছোট বেলার স্বপ্ন পূরণ লক্ষে বঙ্গবন্ধু আদর্শ বুকে ধারন করে রাজনীতির সাথে যুক্ত হওয়া। দেশরত্ন চারবারের সফল প্রথানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যাবে, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। সেই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি ।

এই সংবাদটি শেয়ার করার দায়িত্ব আপনার

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ


নুরুল বশর উখিয়া।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী বাজারসংলগ্ন খালটি অবৈধ দখলে নাব্যতা হারাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে খাল, টি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে এবিষয়ে ভূমি অফিস বলছে, খাল টির অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি জটিলতা সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযানের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নদীবেষ্টিত ছিলেন এক সময় খালটি।পালংখালী বাজারের বুক চিড়ে বয়ে গেছে একটি খাল। স্থানীয় ভাষায় যাকে নারাংখালী খাল বলে এ খালটি দিয়ে গয়াল মারা মুছার খুলা থেকে দশটি গ্রামের পানি বয়ে আসে বর্ষা মৌসুমে। ওই সব এলাকার ফসলি জমির সেচের উৎসও একমাত্র খালটি। খালের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে উত্তর-দক্ষিণ দিকে দেড় কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। প্রায় খালের অর্ধেক দখল করে এমনভাবে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা সবার জন্য উদ্বেগজনক। অবৈধ দখলদারের তালিকায় রয়েছে ১০০ জনেরও বেশি। তারা সবাই খালের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা দোকান তৈরি করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের মধ্যে কেউ পাকা পিলার আবার কেউ কাঠের খুঁটি দিয়ে স্থাপনা তৈরি করেছে। বাজারসংলগ্ন খালটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী। খালের প্রায় অর্ধেক দখল করে দোকান তুলে ব্যবসা করছে দখলদাররা। এর ফলে পানি কমে গিয়ে খালটি নাব্যতা হারাচ্ছে এবং বাজারের ময়লা আবর্জনায় বরে যাচ্ছে একসময়ে এসব খাল মরা খালে পরিণত হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পালংখালী বাজার কমিটি সভাপতি কামাল উদ্দিন জানান, ৫০ বছরের আগে জনস্বার্থে ওজু, গোসল, প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করেছিলেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। বর্তমানে সেই খালে পিলার বসিয়ে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ শফিক জানান, একসময়ে খালটি অনেক বড় ছিল। কিন্তু দখল দূষণের কারণে খালটি ছোট হয়ে গেছে। এ খালের পানির চলাচলের কারণে ফসলি জমিতে যে পলিমাটি পড়ত তাতে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়ে ফসল অনেক বেশি হতো। কিন্তু বর্তমানে সে রকম পলিমাটি না পড়ায় ফসলও আগের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে। পালংখালী বাসিন্দা সফিউল্লাহ তুহিন জানান, খালের পাড়ে দোকান রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই সীমাবদ্ধতা না রেখে দোকান তুলেছে। কয়েকজন খালের মধ্যে পিলার দিয়ে দোকান তুলেছে, যা মোটেও ঠিক নয়। শাহাদাৎ হোসেন জুুুয়েল নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, খালের উপর দোকান নির্মাণ জমিদার পরিচয় দিচ্ছে অনেক এ আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশ কিছু দখলদার অবৈধভাবে খালের পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জমিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা থাকলে তা সমাধান করে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে শীগ্রই।

কক্সবাজারে পালংখালী বাজারের খালটি দুইপাশের দোকানে গিলে খাচ্ছে বিলীন হইতে যাচ্ছে খাল

শোক সংবাদ……. শোক সংবাদ!

মাহমুদা আকতার মালাঃ 

নোয়াখালী জেলা মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (হাওড়া, হরিপুর,বানসা, কামালপুর,শোল্যা,বাবুপুর,যষোড়া) সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার জনাবা আলেয়া বেগম এর স্বামী মোঃ রহমত উল্লাহ (মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) আজ সকালে ০৮:৩০ মিনিটের সময় ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহযোদ্ধা স্বামীর মৃত্যু